নতুন সরকারের প্রথম ১০০ দিনের প্রধান অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন, অর্থনীতি পুনর্গঠন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সিন্ডিকেট ভেঙে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র পরিষদের পক্ষ থেকে।
আজ ২৪ ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক মতবিনিময় সভায় এসব জরুরি সংস্কার ও জনস্বস্তি ফেরাতে কার্যকর পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করে এসব দাবি জানান বক্তারা।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, “প্রথম ১০০ দিনের প্রধান অগ্রাধিকারসমূহের মধ্যে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সরবরাহ চেইন ঠিক রাখতে হবে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেট ভাঙা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক রাখতে হবে।
এছাড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন,জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, জুয়া ও মাদক রোধ এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
বক্তব্যের শেষে সাংবাদিক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আশরাফ কায়সার বলেন,”অর্থনীতি পুনর্গঠন,ব্যাংক খাতের সংস্কার, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং আর্থিক খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এখন অনেক জরুরী
প্রশাসনিক সংস্কারের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন,দুর্নীতিমুক্ত ও জনমুখী প্রশাসন গড়ার লক্ষ্যে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ এবং প্রশাসনিক সক্ষমতা বৃদ্ধি না হলে সরকার ব্যার্থ হবার সম্ভাবনা রয়েছে।
এসময় তিনি আরো বলেন,বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে স্বস্তি আনা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, এখানে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত বেশি প্রয়োজন।
তিনি বলেন,গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে দ্রুত গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করা একটা শক্তিশালী সংসদীয় গণতন্ত্রের ফেরত যাওয়াই এখন সবচেয়ে জরুরি
আজকের এই মতবিনিময় সভায় মূলত সাধারণ মানুষের স্বস্তি ফিরিয়ে আনা এবং ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য কঠোর পদক্ষেপের প্রত্যাশা করা হয়েছে।
-মেহেরীন/মামুন










