সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের কড়া নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশের সিটি করপোরেশনগুলোতে জনগণের ভোগান্তি লাঘবে আগামী ৬ মাসের একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার দুপুরে নবনিযুক্ত ৬টি সিটি করপোরেশনের প্রশাসক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, নির্বাচিত প্রতিনিধি আসার পূর্ব পর্যন্ত প্রশাসকদের জনসেবায় সর্বোচ্চ নিয়োজিত থাকতে হবে। ঢাকা উত্তর, খুলনা ও গাজীপুরসহ অন্য সিটি করপোরেশনের প্রশাসকদের তিনি নগরবাসীর কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দেন।

সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) নতুন প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, প্রধানমন্ত্রী একটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও সবুজায়িত নগরের স্বপ্ন দেখেন। আসন্ন ডেঙ্গু মৌসুমকে সামনে রেখে মশক নিধনের জন্য বিশেষ পরিকল্পনা তৈরির পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, “আমরা চেয়ারে বসে থাকার লোক নই; পাড়ায়-মহল্লায় ঘুরে সমস্যা খুঁজে বের করে জনগণের সঙ্গে নিয়ে সমাধান করব।”

খুলনা সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, প্রধানমন্ত্রী ছয় মাসের একটি ‘প্যাকেজ’ নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে শহরকে গ্রিন ও ক্লিন সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং কাজের অগ্রগতি জানাতে হবে। এরপর পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নির্ধারণ করা হবে।

গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নতুন প্রশাসক শওকত হোসেন সরকার জানান, গাজীপুরের শিল্প এলাকার বর্জ্য অপসারণ এবং ইন্টারনেটের ঝুলন্ত তার নিয়ন্ত্রণে এনে শহরকে বর্ষার আগেই একটি সুশৃঙ্খল ‘গ্রিন সিটি’তে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে নগরবাসীকে মুক্তি দিতে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

প্রশাসকরা আগামীকাল থেকেই নিজ নিজ কার্যালয়ে যোগদান করে কর্মকর্তাদের সঙ্গে সভা করে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কর্মপরিকল্পনা জমা দেবেন বলে জানিয়েছেন।

লামিয়া আক্তার