মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেছেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ আবারও গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে এসেছে। এখন সরকারের প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করা এবং স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রব্যবস্থাকে আরও সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করা।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন জানান, নির্বাচন-পূর্ব গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ভোটাধিকার নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করা হয়েছিল, তা এখনো বহাল রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে একটি গণতান্ত্রিক, মুক্ত ও স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই তাদের রাজনৈতিক সংগ্রামের মূল লক্ষ্য।
তিনি দাবি করেন, গত দেড় দশকে নির্বাচনব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় গণতন্ত্র দুর্বল হয়েছে এবং এতে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলেছিল, তারাই সেই চেতনাকে অপব্যবহার করে রাষ্ট্রকে দুর্নীতি, গুম ও সহিংসতার দিকে ঠেলে দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সাম্প্রতিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশ একটি নির্বাচিত সরকার পেয়েছে, যা গণতান্ত্রিক কাঠামোকে পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ তৈরি করেছে। তবে অঞ্চল, পেশা ও শ্রেণিভেদে জনগণের প্রত্যাশা ভিন্ন হতে পারে এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই সরকারকে কাজ করতে হবে।
ভাষা আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ভাষা আন্দোলনই ছিল মুক্তিযুদ্ধের বীজ বপনের সূচনা। এর মূল বার্তা ছিল ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে পাহাড়ি ও সমতলের সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করা।
বাংলাদেশকে শক্তিশালী, গণতান্ত্রিক ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, সদস্য সচিব তানভীর আহমেদ রবিন, সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব এবং ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
-এমইউএম










