সম্প্রতি ঢাকার সাত সরকারি কলেজ নিয়ে গঠিত নতুন বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতকোত্তর অধ্যয়ন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব। আগামী চার বছর তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন। এ দায়িত্ব পালনের জন্য নিয়মানুযায়ী সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬-এর ১১(১) ধারা অনুসারে তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন উপাচার্যের নেতৃত্বে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম গতিশীল ও সমৃদ্ধ হবে বলেও আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা যায়, বর্তমানে আবদুল হাছিব বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) স্নাতকোত্তর অধ্যয়ন অনুষদের ডিন প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে অধ্যাপক ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো। তার মেয়াদ থাকবে যোগদানের তারিখ থেকে পরের চার বছর। তিনি উপাচার্য পদে যোগদানের পূর্বে তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন ভাতাদি প্রাপ্য হবেন। তা ছাড়া বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে ক্যাম্পাসে অবস্থান করে নিজ দায়িত্ব পালন করতে হবে।
তবে, রাষ্ট্রপতি প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলে ওই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়। এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। ঢাকার সাতটি কলেজ নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়টি গঠিত। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আদলেই হবে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি। রাজধানী ঢাকার সাতটি কলেজে আগের মতোই বিভিন্ন বিষয়ে অনার্স ও ডিগ্রির লেখাপড়া চলবে। যেসব কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক ছিলো, তাও থাকবে। তবে, কেন্দ্রীয়ভাবে মূল ক্যাম্পাসেও পরিচালিত হবে অনার্স-মাস্টার্স স্তর।
প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ও পুরনো সাতটি সরকারি কলেজকে একটি সমন্বিত ও স্বায়ত্তশাসিত প্রশাসনিক কাঠামোর অধীনে আনতে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ স্থাপনের চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশটি জারি করেন।










