ফাগুনের সকাল মানেই হালকা রোদ, মিষ্টি বাতাস আর একটু আলসেমি মেশানো প্রশান্তি। এই সময়ের নাস্তাও হওয়া উচিত হালকা, পুষ্টিকর ও রঙিন যা শরীরকে সতেজ রাখবে এবং মনকে করবে প্রফুল্ল। জেনে নিন ফাগুনের সকালে কী নাস্তা করতে পারেন।
ফল ও দই
ঋতুভিত্তিক তাজা ফল যেমন পেঁপে, কলা, আপেল বা পেয়ারা কেটে তার সঙ্গে টকদই মিশিয়ে নিতে পারেন। চাইলে একটু মধু ও চিয়া সিড যোগ করলে পুষ্টিগুণ আরও বাড়বে। এটি হালকা কিন্তু শক্তিদায়ক একটি নাস্তা।
সবজি ওমলেট ও ব্রাউন ব্রেড
ডিমের সঙ্গে পেঁয়াজ, টমেটো, ক্যাপসিকাম, ধনেপাতা মিশিয়ে ওমলেট বানাতে পারেন। সঙ্গে এক বা দুই পিস ব্রাউন ব্রেড রাখলে পেট ভরবে, আবার ভারীও লাগবে না। প্রোটিনসমৃদ্ধ এই নাস্তা সারাদিনের কাজের শক্তি জোগাবে।
চিড়া-দই বা পোহা
হালকা ভাজা চিড়া সবজি দিয়ে রান্না করে নিতে পারেন। এটি সহজপাচ্য এবং দ্রুত তৈরি করা যায়। দই মিশিয়েও খেতে পারেন, যা গরমের শুরুতে শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
স্মুদি বোল
স্ট্রবেরি, কলা ও দই ব্লেন্ড করে উপরে বাদাম ও বীজ ছড়িয়ে পরিবেশন করুন। রঙিন এই নাস্তা ফাগুনের আবহের সঙ্গে বেশ মানানসই।
লুচি-সবজি
ফাগুনে অনেকেই উৎসবের আমেজে একটু জমকালো নাস্তা পছন্দ করেন। সেক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ লুচি ও হালকা সবজি খেতে পারেন। তবে তেল-চর্বি যেন বেশি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।
পান্তা ভাত ও ভর্তা
গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী স্বাদ পেতে চাইলে পান্তা ভাতের সঙ্গে আলু বা শুটকি ভর্তা খেতে পারেন। এটি হালকা ও সতেজ অনুভূতি দেয়, বিশেষ করে উষ্ণ দিনে।
সবশেষে মনে রাখবেন, ফাগুনে আবহাওয়া বদলের সময় হওয়ায় শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখা জরুরি। তাই নাস্তায় প্রোটিন, ফাইবার ও ভিটামিনসমৃদ্ধ খাবার রাখুন। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা অতিরিক্ত মিষ্টি এড়িয়ে চলুন। সুস্থ ও প্রাণবন্ত ফাগুনের সকাল শুরু হোক পুষ্টিকর নাস্তায়।
-বিথী রানী মণ্ডল










