আজ ‘কিস ডে’ বা চুম্বন দিবস ভালোবাসার ভাষাকে গভীর, আরও আন্তরিক করে তোলার এক বিশেষ দিন। ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের ধারাবাহিকতায় ১৩ ফেব্রুয়ারি পালিত এই দিনটি প্রেমিক-প্রেমিকাদের কাছে আবেগ প্রকাশের অনন্য মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। বিশ্বজুড়ে ঘিরে যে ভালোবাসার আবহ তৈরি হয়, ‘কিস ডে’ তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
চুম্বন দিবসের সূচনা ঠিক কবে বা কোথায়—তার সুনির্দিষ্ট ইতিহাস জানা যায় না। তবে ধারণা করা হয়, বিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে পাশ্চাত্য পপ সংস্কৃতির প্রভাবে ভ্যালেন্টাইন সপ্তাহের বিভিন্ন দিন জনপ্রিয়তা পায়। সিনেমা, টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের ফলে ‘কিস ডে’ ধীরে ধীরে তরুণ সমাজের মধ্যে বিশেষ পরিচিতি লাভ করে। ভালোবাসা প্রকাশের প্রতীকী ভাষা হিসেবে চুম্বন বরাবরই বিশ্বসংস্কৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। সেই ঐতিহ্যই আধুনিক সময়ে একটি নির্দিষ্ট দিনে উদযাপনের রূপ পেয়েছে।
এই দিনটি সঙ্গীর প্রতি ভালোবাসা, স্নেহ ও ঘনিষ্ঠতার প্রকাশকে গুরুত্ব দেয়। একটি আন্তরিক চুম্বন কেবল রোমান্টিক অনুভূতির বহিঃপ্রকাশ নয়; এটি বিশ্বাস, নিরাপত্তা ও আবেগের বন্ধনকে দৃঢ় করে। অনেক সময় এমন কিছু অনুভূতি থাকে যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন—সেখানে একটি স্নেহভরা চুম্বনই হয়ে ওঠে সবচেয়ে সহজ ও গভীর প্রকাশভঙ্গি।
চুম্বন দিবস উদযাপনের জন্য জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের প্রয়োজন নেই। বরং ছোট ছোট আন্তরিক মুহূর্তই দিনটিকে স্মরণীয় করে তোলে। একসঙ্গে সময় কাটানো, প্রিয় কোনো সিনেমা দেখা, হাঁটতে বের হওয়া, হাতে লেখা চিঠি দেওয়া বা ছোট্ট একটি ফুল উপহার—এসব সাধারণ আয়োজনেই লুকিয়ে থাকে ভালোবাসার গভীরতা।
সম্পর্কের উষ্ণতা তখনই সুন্দর হয়, যখন দু’জন মানুষই সমানভাবে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
‘কিস ডে’ শুধুই একটি দিনের নাম নয় এটি ভালোবাসার মানুষটির কাছে থাকার, তাকে মূল্য দেওয়ার এবং সম্পর্কের আবেগকে আরও দৃঢ় করার একটি উপলক্ষ। ভালোবাসা প্রকাশের ভাষা হতে পারে অনেক রকম, কিন্তু আন্তরিকতা থাকলেই সেটিই হয়ে ওঠে সবচেয়ে অর্থবহ উদযাপন।
-বিথী রানী মণ্ডল










