ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন আসনে বেশ কয়েকজন আলোচিত প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে একাধিক প্রার্থী আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত জয় পাননি।
বেসরকারি ও চূড়ান্ত ফলাফলে কোথাও বড় ব্যবধান, আবার কোথাও অল্প ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছেন তারা।
নরসিংদী-২
এনসিপি মনোনীত মো. গোলাম সারোয়ার (শাপলা কলি) পেয়েছেন ১৯,৫৪০ ভোট।
ধানের শীষ প্রতীকের ড. আবদুল মঈন খান পেয়েছেন ৯২,৭৩৯ ভোট।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৩৬,৬৬৯ ভোট।
খুলনা-৫
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১,৪৪,৯৫৬ ভোট।
ধানের শীষ প্রতীকের মোহাম্মদ আলি আসগার পেয়েছেন ১,৪৭,৬৫৮ ভোট।
ঢাকা-১৩
দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬,০৬৭ ভোট।
বিএনপি প্রার্থী ববি হাজ্জাজ পেয়েছেন ৮৮,৩৮৭ ভোট।
ব্যবধান: ২,৩২০ ভোট।
পঞ্চগড়-১
এনসিপির সারজিস আলম (শাপলা কলি) পেয়েছেন ১,৬৬,১২৬ ভোট।
ধানের শীষ প্রতীকের নওশাদ জমির পেয়েছেন ১,৭৪,৪৩০ ভোট।
ব্যবধান: ৮,৩০৪ ভোট।
ঢাকা-৯
স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা (ফুটবল) পেয়েছেন ৪৪,৬৮৪ ভোট।
ধানের শীষ প্রতীকের হাবিবুর রশিদ পেয়েছেন ১,১১,২১২ ভোট।
ঢাকা-৮
এনসিপির মোহাম্মদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টাল ভোটসহ মোট ৫৪,১২৭ ভোট পান।
বিএনপির মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ পান ৫৬,৫৫২ ভোট।
বগুড়া-২
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না (কেটলি) পেয়েছেন ৩,৪২৬ ভোট।
মোট বৈধ ভোট ছিল ২,৪৩,৮০২। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ৩০,৪৭৬ ভোট (১২.৫%), কিন্তু তিনি পান ১.৪ শতাংশ ভোট।
খুলনা-১
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৭০,৩৪৬ ভোট।
ধানের শীষ প্রতীকের আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ১,২১,৩৫২ ভোট।
সুনামগঞ্জ-২ (দিরাই–শাল্লা)
জামায়াত মনোনীত প্রার্থী সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির পরাজিত হয়েছেন।
১১১ কেন্দ্রের ফলাফলে দেখা যায়, বিএনপি প্রার্থী নাছির উদ্দিন চৌধুরী ৩৯,৯৩২ ভোট বেশি পেয়ে জয় লাভ করেন।
এভাবে আলোচনায় থাকা একাধিক প্রার্থী শেষ পর্যন্ত ভোটযুদ্ধে জয় নিশ্চিত করতে পারেননি।
-এমইউএম










