বর্তমান ডিজিটাল যুগে তথ্য পাওয়া যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি গুজব ছড়ানোও হয়েছে অত্যন্ত দ্রুত ও সহজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে একটি মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর তথ্য হাজারো মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এসব গুজব কখনো সামাজিক অস্থিরতা, কখনো অর্থনৈতিক ক্ষতি, আবার কখনো প্রাণহানির কারণও হয়ে দাঁড়ায়। তাই গুজব থেকে সাবধান থাকা এখন সময়ের দাবি।
গুজব সাধারণত আবেগকে কেন্দ্র করে ছড়ানো হয় ভয়, রাগ বা কৌতূহল সৃষ্টি করে মানুষকে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানাতে বাধ্য করে। অনেক সময় দেখা যায়, কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়াই মানুষ একটি পোস্ট শেয়ার করে দেন, যা পরে মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এতে ব্যক্তি ও সমাজ উভয়েরই ক্ষতি হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো তথ্য বিশ্বাস বা শেয়ার করার আগে অবশ্যই তার উৎস যাচাই করা উচিত। বিশ্বস্ত সংবাদমাধ্যম বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইটে তথ্যটি প্রকাশিত হয়েছে কিনা তা দেখে নেওয়া জরুরি। সন্দেহজনক লিংক, চটকদার শিরোনাম বা অজ্ঞাত সূত্রের বার্তা এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।
প্রশাসনের পক্ষ থেকেও বারবার সতর্ক করা হচ্ছে গুজব ছড়ানো আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করা এবং অন্যকেও এ বিষয়ে সচেতন করা।
গুজব নয়, সত্য তথ্য ছড়াই এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার। সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণই পারে একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল সমাজ গড়ে তুলতে।
সাবরিনা রিমি/










