ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জকসুর

ছবিঃ সংগৃহীত

আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনের অগ্রসেনানী শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যার বিচার ও আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে পুলিশের অতর্কিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে জকসুর ভিপি মোঃ রিয়াজুল ইসলাম ও জিএস আব্দুল আলিম আরিফ এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, হামলায় ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার, জকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য ও জবি ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব শান্তা আক্তার এবং ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র বিষয়ক সম্পাদক ফাতেমা তাসনিম জুমাসহ প্রায় শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। জকসু এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “শহীদ ওসমান হাদী হত্যার অর্ধ-শতাধিক দিন পার হলেও এখনো তদন্ত রিপোর্ট পেশ করা হয়নি। ইনকিলাব মঞ্চ গতকাল থেকে জাতিসংঘের অধীনে শহীদ হাদী হত্যার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে যমুনার সম্মুখে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। আজ বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ অতর্কিতভাবে ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃবৃন্দের উপর সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়।”

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, “শহীদ ওসমান হাদীর সহধর্মিণী ও ইনকিলাবের নেতৃবৃন্দের চাওয়া তো বেশি ছিল না। তারা হাদী হত্যার আন্তর্জাতিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য জাতিসংঘের নিকট সরকারের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি প্রেরণ করতে চেয়েছিলেন। এই সামান্য চাওয়াটা পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন ইন্টেরিম সরকার। বরং আজ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃবৃন্দের উপর পুলিশ ন্যাক্কারজনকভাবে হামলা করেছেন।”

উল্লেখ্য, শহীদ শরীফ ওসমান হাদী হত্যার তদন্ত ও জড়িতদের বিচারের দাবিতে ইনকিলাব মঞ্চ বেশ কিছুদিন ধরেই আন্দোলন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার যমুনার সামনে তাদের অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশি হামলার ঘটনা ঘটে।

-বেলাল হোসেন