ক্ষমতায় গেলে ফেডারেল পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন ও বাংলাদেশকে ৯টি প্রদেশে ভাগ করাসহ ১০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি।
শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে সংবাদ সম্মেলনে এ ইশতেহার ঘোষণা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।
ইশতেহারের অন্য প্রতিশ্রুতিগুলো হলো–দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট জাতীয় সংসদ, যেখানে ৩০০ সদস্যের নিম্নকক্ষ ও ২০০ সদস্যের উচ্চকক্ষ থাকবে; সব দলের সংসদ সদস্যদের নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য সরকার ও নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা; স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন; ‘জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল’ ও ‘জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল’ গঠন করা; সাংবিধানিক আদালত ও স্থায়ী বিচার বিভাগীয় কাউন্সিল গঠন করা; সংবিধান, শাসনব্যবস্থা ও সামাজিক সংস্কার; ‘নিম্নকক্ষ’, ‘উচ্চকক্ষ’ ও ‘প্রাদেশিক পরিষদের’ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি এবং উভয় কক্ষের ঐকমত্যের ভিত্তিতে উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা; পারস্পরিক স্বার্থ, সম-মর্যাদা ও কৌশলগত ভারসাম্যের ভিত্তিতে নতুন বিদেশনীতি প্রণয়ন করা এবং সবার জন্য ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন, প্রবাসীদের অর্থায়নে উপজেলা ও পৌর শিল্প এলাকা গঠন ও প্রতি নাগরিকের বার্ষিক আয় কমপক্ষে দুই লাখ টাকা করা।
ইশতেহার ঘোষণার আগে শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, এ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষ পুরোনো ক্ষমতা কাঠামো বদলে দিতে ভোট দেবে। এ নির্বাচন ঐতিহাসিক। কেননা, এটি কেবল ক্ষমতার হাত বদলের নির্বাচন নয়, এটি দেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তরের নির্বাচন। দেশের সিংহভাগ রাজনৈতিক দল পুরোনো বন্দোবস্তের কাঠামো চাইছে না। কিন্তু দেশের ক্ষমতার কাঠামো পুনর্বিন্যাসের কথা বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দেখছি না। এ রাষ্ট্র কাঠামোকে পরিবর্তন করতে হবে।
জেএসডির স্থায়ী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেএসডির সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন, মাঈনুর রহমান, উপদেষ্টা মো. নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল্লাহ আল তারেক প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে তৌহিদ হোসেন বলেন, দেশের মানুষ রাজা বদল দেখেছে, কিন্তু নিজেদের ভাগ্যের বদল দেখেনি। রাষ্ট্র ব্যবস্থার সংস্কার ছাড়া জনআকাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব নয়।
-সাইমুন










