‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর চক্রান্ত রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান বাম নেতাদের

সংসদ নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং ’৯০ ও ’২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট প্রার্থীদের ভোট দিয়ে জয়ী করার জন্য দেশবাসী ও ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বামপন্থি এই জোট নেতারা। একই সঙ্গে তারা এই ভোটকে কেন্দ্র করে ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর চক্রান্ত রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

গতকাল মঙ্গলবার গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের এক বিবৃতিতে এ আহ্বান জানানো হয়। এতে বলা হয়, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের প্রার্থিতার সুযোগ দেওয়ায় সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের সক্ষমতা ইতোমধ্যে প্রশ্নবিদ্ধ। কালো টাকা, পেশিশক্তির দৌরাত্ম্য ও সাম্প্রদায়িক প্রচারণা চলছে দেদার। সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টিতে কমিশন সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, একটি স্বাধীনতাবিরোধী ধর্মান্ধ দল নির্বাচনে ভোটারদের প্রভাবিত করতে ধর্মকে ব্যবহার করে বেহেশতের টিকিট বিক্রি করছে। এমনকি রাজধানীতেই জামায়াত নেতাদের নগদ টাকা দেওয়ার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে প্রচার হলেও কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। নির্বাচনে পর্যবেক্ষকদের অনুমতি দেওয়া নিয়েও জনমনে সন্দেহ রয়েছে।

নেতারা বলেন, ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হবে বোরকা-নেকাব পরে জাল ভোট দেবে বলে ব্যাপক গুঞ্জন রয়েছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন ও সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে দেশবাসীকে আশ্বস্ত করার জন্য আহ্বান জানান নেতারা।

গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের আরেক বিবৃতিতে নির্বাচনের মাত্র ২ দিন আগে সরকারের মেয়াদ শেষের আগ মুহূর্তে তড়িঘড়ি করে শর্ত গোপন রেখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করায় গভীর উদ্বেগ জানানো হয়।

বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কেন্দ্রীয় নেতা বজলুর রশীদ ফিরোজ, সাজ্জাদ জহির চন্দন, আবদুল্লাহ ক্বাফী রতন, শরীফ নুরুল আম্বিয়া, নাজমুল হক প্রধান, ইকবাল কবির জাহিদ, মোশরেফা মিশু, মাসুদ রানা, আব্দুল আলী ও রজত হুদা।

-সাইমুন