পোস্টাল ব্যালট সংরক্ষণ ও গণনা নিয়ে ইসির বিস্তারিত পরিপত্র জারি

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালট গ্রহণ, সংরক্ষণ এবং গণনা সংক্রান্ত একটি বিশেষ পরিপত্র জারি করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে প্রতিটি ধাপের জন্য বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ইসি সচিবালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এই পরিপত্রে বলা হয়েছে, পোস্টাল ব্যালটের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

পরিপত্রের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাগুলো:

  • ব্যালট বাক্স: প্রতি ৪০০ পোস্টাল ব্যালটের জন্য একটি করে ব্যালট বাক্স ব্যবহার করা হবে। প্রতীক বরাদ্দের পরই এই বাক্স প্রস্তুত রাখতে হবে এবং প্রার্থী বা তাদের এজেন্টদের উপস্থিতিতে সিলগালা করতে হবে।

  • ব্যালট গ্রহণ ও স্ক্যানিং: ডাকযোগে পাওয়া পোস্টাল ব্যালটের খামের ওপর থাকা কিউআর (QR) কোড স্ক্যান করে তা নির্দিষ্ট ব্যালট বাক্সে সংরক্ষণ করা হবে। কোনো ব্যালট ডুপ্লিকেট হিসেবে শনাক্ত হলে তা বাতিল করা হবে।

  • ভোটারের করণীয়: ভোটারদের পোস্টাল ব্যালট পাওয়ার পরই ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে লগইন করে খামের কিউআর কোডটি স্ক্যান করতে হবে। স্ক্যান না করে পাঠানো ব্যালট বাতিল বলে গণ্য হবে।

  • গণনার সময়সীমা: ভোটের দিন, অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ডাকযোগে আসা পোস্টাল ব্যালটই কেবল গণনার অন্তর্ভুক্ত হবে।

  • গণনার জন্য কর্মকর্তা নিয়োগ: পোস্টাল ব্যালট গণনার জন্য রিটার্নিং অফিসার প্রতিটি আসনের জন্য একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার এবং প্রতি ১০০ ব্যালটের জন্য একজন করে পোলিং অফিসার নিয়োগ করবেন।

  • ফলাফল ঘোষণা: সাধারণ ভোটকেন্দ্রের মতোই পোস্টাল ব্যালটের ফলাফল প্রস্তুত করে এর কপি উপস্থিত এজেন্টদের সরবরাহ করা হবে। পরে সব কেন্দ্রের ফলাফলের সঙ্গে একত্র করে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

১৫ লাখের বেশি পোস্টাল ভোটার
প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান জানান, এবারের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৩ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। বেশিরভাগ ব্যালট ইতিমধ্যে প্রবাসীদের কাছে পৌঁছে গেছে এবং তারা ভোট দিয়ে তা ফেরত পাঠাতে শুরু করেছেন।


মোঃ আশফুল আলম | উপ-সম্পাদক