চট্টগ্রাম রয়্যালসের ফাইনালে উঠতে দরকার ১৩৪ রান

ফাইনালে ওঠার লক্ষ্য নিয়ে ব্যাটিং শুরু করলেও মাঝপথে ছন্দ হারায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। শুরুটা আশাব্যঞ্জক হলেও একের পর এক উইকেট হারিয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে মাত্র ১৩৩ রানে গুটিয়ে যায় দলটি।

ইনিংসের শেষ দিকে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ঝোড়ো ব্যাটিং না থাকলে সংগ্রহ আরও কম হতে পারত। আট নম্বরে নেমে মাত্র ২১৩.৩৩ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট করে ২টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৩২ রানের কার্যকর ইনিংস খেলেন তিনি। মূলত বোলার হিসেবে পরিচিত হলেও এই ম্যাচে ব্যাট হাতে দলের জন্য বড় অবদান রাখেন সাকলাইন।

তবে তার ওপরে থাকা পাঁচ ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্কের রান স্পর্শ করতে পারেননি। দলীয় ৪৯ রানের মধ্যে পরপর দুই বলে সাজঘরে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত (৮) ও মুশফিকুর রহিম (শূন্য)। এর আগে ওপেনিং জুটিতে তানজিদ হাসান তামিম ও শাহিবজাদা ফারহান ৩০ রান যোগ করে ভালো শুরু এনে দেন। ব্যক্তিগত ২১ রানে শাহিবজাদা আউট হলে সেই জুটি ভেঙে যায়।

দল বিপর্যয়ে পড়লেও এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই চালিয়ে যান তানজিদ তামিম। বাঁহাতি এই ব্যাটার ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪২ রান করে পঞ্চম ব্যাটার হিসেবে আউট হন।

চট্টগ্রাম রয়্যালসের হয়ে বল হাতে দারুণ ছিলেন শেখ মেহেদী ও আমের জামাল। দুজনই দুটি করে উইকেট নেন। এ ছাড়া দলের অন্য বোলাররাও অন্তত একটি করে উইকেট তুলে নিয়ে রাজশাহীর ব্যাটিং ধসের পেছনে ভূমিকা রাখেন।

-এমইউএম