টিকটকের ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিক রিপোর্ট প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

টিকটক ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের (জুলাই–সেপ্টেম্বর) কমিউনিটি গাইডলাইনস এনফোর্সমেন্ট রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘনকারী কনটেন্ট দ্রুত শনাক্ত ও অপসারণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্ল্যাটফর্মটি সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে এই তিন মাসে কমিউনিটি গাইডলাইন লঙ্ঘনের কারণে মোট ২ কোটি ৭ লাখ ৯৩ হাজার ৫৫১টি ভিডিও সরানো হয়েছে। এর মধ্যে ৯৯.৮ শতাংশ কনটেন্ট আগেই শনাক্ত করে অপসারণ করা হয়েছে এবং ৯৭.৩ শতাংশ ভিডিও ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী একই সময়ে টিকটক থেকে মোট ২০ কোটি ৪৫ লাখ ৩৪ হাজার ৯৩২টি ভিডিও অপসারণ করা হয়েছে, যা প্ল্যাটফর্মে আপলোড হওয়া মোট কনটেন্টের প্রায় শূন্য দশমিক সাত শতাংশ। এসব ভিডিওর মধ্যে ১৮ কোটি ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৮১টি ভিডিও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করে সরানো হয়। কনটেন্ট যাচাই শেষে ৮৯ লাখ ৫০ হাজার ৭৩৫টি ভিডিও পুনরায় প্ল্যাটফর্মে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাপী অপসারিত কনটেন্টের ৯৯.৩ শতাংশ আগেই শনাক্ত করা হয়েছিল এবং এর ৯৪.৮ শতাংশ ভিডিও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সরানো হয়।

প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে এই প্রান্তিকে টিকটক বিশ্বজুড়ে ১১ কোটি ৮৬ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৯টি ভুয়া অ্যাকাউন্ট অপসারণ করেছে। পাশাপাশি ১৩ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারী হিসেবে শনাক্ত করে আরও ২ কোটি ২২ লাখ ২৬ হাজার ৫৪২টি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়, সরিয়ে ফেলা মোট ভিডিওর প্রায় ৩০ শতাংশ ছিল সংবেদনশীল বিষয়বস্তু, যা টিকটকের নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এছাড়া ১৫.৭ শতাংশ ভিডিও প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা নীতিমালা ভঙ্গের কারণে এবং ২.৭ শতাংশ ভিডিও গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা নির্দেশনা লঙ্ঘনের জন্য অপসারণ করা হয়েছে। ভুল তথ্যের কারণে ৩২.৯ শতাংশ ভিডিও এবং এডিট করা বা এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট হিসেবে শনাক্ত হওয়ায় ৩৪.৪ শতাংশ ভিডিও সরানো হয়েছে।

টিকটকের কমিউনিটি গাইডলাইনস এনফোর্সমেন্ট রিপোর্টে কত ধরনের কনটেন্ট ও কত সংখ্যক অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। টিকটকের ট্রান্সপারেন্সি সেন্টারে ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকের এই রিপোর্টের পাশাপাশি কনটেন্ট নীতিমালা, টুলস ও পলিসি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, যা বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায়ই উপলভ্য।

সূত্র: টেকজুম

সাবরিনা রিমি/