ইউরোপের কয়েকটি দেশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট শর্তে স্ত্রী–স্বামী ও সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে পড়াশোনা ও বসবাসের সুযোগ দিচ্ছে।
বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ মানেই পরিবার থেকে দূরে থাকা—এ ধারণা সব ক্ষেত্রে সত্য নয়। ইউরোপের একাধিক দেশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য পরিবারসহ বসবাসের সুযোগ রেখেছে। প্রয়োজনীয় আর্থিক সামর্থ্য ও আইনি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে এসব দেশে পড়াশোনার পাশাপাশি স্ত্রী/স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে থাকা সম্ভব।
জার্মানি ফ্যামিলি রিইউনিফিকেশন নীতির আওতায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আনার অনুমতি দেয়। এ ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পর্যাপ্ত আর্থিক সক্ষমতা ও উপযুক্ত বাসস্থানের প্রমাণ দেখাতে হয়। অনুমোদন পেলে জীবনসঙ্গীরা সাধারণত কাজ করতে পারেন এবং সন্তানেরা সরকারি স্কুলে পড়াশোনার সুযোগ পায়।
ফিনল্যান্ডকে ইউরোপের অন্যতম পরিবারবান্ধব শিক্ষাগন্তব্য হিসেবে ধরা হয়। সেখানে রেসিডেন্স পারমিটধারী শিক্ষার্থীরা পরিবারের সদস্যদের জন্য আবেদন করতে পারেন। জীবনসঙ্গীরা স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পান এবং সন্তানেরা দেশটির উন্নত সরকারি শিক্ষাব্যবস্থায় পড়তে পারে।
সুইডেনেও পড়াশোনার সময় নিকট পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে আনার সুযোগ রয়েছে। নির্ধারিত আর্থিক যোগ্যতা পূরণ করলে জীবনসঙ্গীদের কাজের অনুমতি মেলে এবং সন্তানেরা সরকারি স্কুলে ভর্তি হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদি পারিবারিক বসবাসকে সহজ করে।
নেদারল্যান্ডসে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা তাঁদের স্ত্রী/স্বামী ও সন্তানদের জন্য পারিবারিক পুনর্মিলনের আবেদন করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে নির্ভরশীলদের ভরণপোষণের আর্থিক সক্ষমতা প্রমাণ করা বাধ্যতামূলক। দেশটি পরিবারসহ বসবাসের জন্য উন্নত জীবনমান ও মানসম্মত শিক্ষাসুবিধা প্রদান করে।
ফ্রান্সে দীর্ঘমেয়াদি স্টাডি ভিসাধারী শিক্ষার্থীরা পরিবার পুনর্মিলনের আবেদন করার সুযোগ পান। সেখানে সন্তানেরা সরকারি স্কুলে পড়তে পারে এবং নির্দিষ্ট শর্তে জীবনসঙ্গীরা কাজের অনুমতি লাভ করেন। ফলে পরিবার নিয়ে পড়াশোনায় আগ্রহীদের জন্য ফ্রান্স একটি কার্যকর বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মালিহা










