নিরাপত্তার অজুহাতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ করা অগণতান্ত্রিক: ডাকসু ভিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

জাতীয় নির্বাচনের আগে নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ (শাবিপ্রবি) বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন স্থগিত করার সিদ্ধান্তকে ‘অগণতান্ত্রিক’ বলে অভিহিত করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম।

আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীনের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কেন এই প্রতিবাদ?
সাদিক কায়েম বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন, আর শাবিপ্রবির ছাত্র সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা ২০ জানুয়ারি। মাঝে তিন সপ্তাহ সময় বাকি। এই সময়ে নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া কোনো যৌক্তিক সিদ্ধান্ত হতে পারে না। এটি সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক। শিক্ষার্থীরা যাকে চায়, সেই তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হবে। এমন সিদ্ধান্ত ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই বিপ্লবের অন্যতম প্রধান আকাঙ্ক্ষা ছিল প্রতিটি ক্যাম্পাসে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করা। ইতিমধ্যে ডাকসু, জাকসু, চাকসু, রাকসু এবং সর্বশেষ জকসু নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা সারা দেশে গণতান্ত্রিক চর্চার একটি ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।”

ইসির সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা
ডাকসু ভিপি জানান, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একটি প্রজ্ঞাপনের ভিত্তিতে নির্বাচন বন্ধ করার যে গুঞ্জন উঠেছিল, সে বিষয়ে তারা সিইসি ও ইসি সচিবের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, যথাসময়েই নির্বাচন হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা প্রার্থীরা আবেদন করলে সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে সঠিক সময়েই নির্বাচন আয়োজনের ব্যবস্থা করা হবে।”

এ সময় ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দিন খান বলেন, “ইসির প্রজ্ঞাপনের পর শাবিপ্রবি নির্বাচন নিয়ে যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছিল, তা এখন কেটে গেছে। কমিশন আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, নির্ধারিত তারিখেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”

সাক্ষাৎকালে ডাকসুর প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন কার্যনির্বাহী সদস্য মিফতাহ হোসাইন আল মারুফসহ অন্যান্যরা।


মোঃ আশফুল আলম | উপ-সম্পাদক