সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর লিখিত পরীক্ষা আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের বাকি ৬১ জেলায় একযোগে এই পরীক্ষা আয়োজিত হচ্ছে। এবারের পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে অংশ নিচ্ছেন প্রায় ১০ লাখ ৮০ হাজার চাকরিপ্রার্থী।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) জানিয়েছে, পরীক্ষা দুপুর ৩টায় শুরু হলেও পরীক্ষার্থীদের দুপুর ২টার মধ্যে নির্ধারিত আসনে বসতে হবে। দুপুর আড়াইটায় কেন্দ্রের সব প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে। পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই প্রবেশপত্র ও জাতীয় পরিচয়পত্র সঙ্গে আনতে হবে।
পরীক্ষাকেন্দ্রে বই, নোট, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, হাতঘড়ি বা কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস সঙ্গে নেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের উভয় কান খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উত্তরপত্রে শুধুমাত্র কালো বলপয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে।
অধিদপ্তর জানায়, প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর ওএমআর সেট কোড পূর্বনির্ধারিত থাকবে, যা প্রবেশপত্রে উল্লেখ আছে। তবে প্রশ্নপত্রের সেট কোড ও ওএমআর সেট কোড আলাদা হবে। পরীক্ষা শুরুর পাঁচ মিনিট আগে পরিদর্শক জানিয়ে দেবেন কোন ওএমআর কোডের বিপরীতে কোন প্রশ্নের সেট ব্যবহার করতে হবে। ভুল কোডে পরীক্ষা দিলে উত্তরপত্র বাতিল বলে গণ্য হবে।
পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়ালে বিভ্রান্ত না হতে সতর্ক করেছে ডিপিই। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আসন বিন্যাস থেকে শুরু করে ফলাফল প্রস্তুত পর্যন্ত সব ধাপ স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়, তাই অবৈধ হস্তক্ষেপের কোনো সুযোগ নেই। প্রতিটি কেন্দ্রে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে মোট আবেদন পড়েছে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০টি।
প্রথম ধাপে: ৬টি বিভাগে ১০ হাজার ২১৯টি পদের বিপরীতে প্রার্থী ৭ লাখ ৪৫ হাজার ৯২৯ জন।
দ্বিতীয় ধাপে: ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৪ হাজার ১৬৬টি পদের বিপরীতে প্রার্থী ৩ লাখ ৩৪ হাজার ১৫১ জন।
গড়ে প্রতিটি পদের বিপরীতে প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী আজকের এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন।