বলিউড অভিনেতা ইমরান হাশমী বিমানবন্দরে প্রায়ই নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় বলে জানিয়েছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নাকি কিছু নিরাপত্তারক্ষী তাঁকে অন্য কারও সঙ্গে গুলিয়ে ফেলতেন। বিমানবন্দরে গেলে অনেক সময় সন্দেহের চোখে তাকানো হত তাঁকে। তবে এবার তিনি বিষয়টি মজার ভঙ্গিতে তুলে ধরেছেন।
ইমরান বলেন, “আমি মনে করি, ওঁরা আমার সঙ্গে খুব মিষ্টি ব্যবহার করেছেন। কিন্তু এই যে একটা প্রচণ্ড ভয়ের অনুভূতি থাকে সকলের মধ্যে, সেটা যুক্তিসঙ্গত নয়। বিষয়টা অনেকটা এমন—গাড়ি চালানো শেখার পরও যখন রাস্তায় আরটিও আধিকারিককে দেখি, হঠাৎ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ি। ঠিক তেমনি, যখন আমি একা বিমানবন্দরে যাই, ব্যাগে শুধু জামাকাপড় থাকলেও ‘গ্রিন চ্যানেল’ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় মনে হয় যেন আমার ব্যাগে ১০০ কেজি অবৈধ জিনিস আছে। যেন কোনো মাদক পাচারকারী।”
অভিনেতা আরও জানান, আগে তাঁকে অভিবাসন বিভাগে থামানো হত, সম্ভবত তাঁর চেহারা এবং কানের দুলের কারণে। তখন তিনি একাই ভ্রমণ করতেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি বদলেছে। ইমরান বলেন, “এখন যখন আমার পরিবারের সঙ্গে যাই, সবাইকে দেখে আর কেউ সন্দেহ করে না। পরিবার থাকলে ভয় কিছুটা কমে যায়।”
ইমরান শীঘ্রই দর্শকদের সামনে আসবেন নতুন সিনেমা ‘তস্করী: দ্য স্মাগলার্স ওয়েব’-এ। এই ছবিতে তিনি শুল্ক দফতরের আধিকারিকের চরিত্রে অভিনয় করছেন। বাস্তব জীবনের বিমানবন্দর অভিজ্ঞতা এবং শুল্ক দফতরের চরিত্রের মধ্যে মিল খুঁজে পাওয়া যায়—কোনো ধরনের মজার বা চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি মোকাবেলা করা। অভিনেতা বলেন, “এই ধরনের অভিজ্ঞতা আমাকে আরও সচেতন এবং ধৈর্যশীল হতে শেখায়।”
তিনি আরও যোগ করেন, “যখন মানুষ আপনার সঙ্গে কিছুটা ভিন্ন আচরণ করে বা অতিরিক্ত সতর্ক হয়, তখন সেটা প্রথমে কিছুটা অদ্ভুত মনে হয়। কিন্তু পরে আপনি এটাকে মজার বা হাস্যরসাত্মক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে শুরু করেন।”
এভাবেই ইমরান হাশমী বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সিনেমার সেট পর্যন্ত নানা অভিজ্ঞতা দিয়ে দর্শকদের সঙ্গে তার গল্প শেয়ার করছেন। বাস্তব জীবনের এই ছোটখাটো ঘটনার মধ্যে থেকেও অভিনেতা হালকা মেজাজ বজায় রাখেন এবং তার ভ্রমণ ও অভিনয় জীবনের মজার গল্পগুলো নেটিজেনদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।
বিথী রানী মণ্ডল/










