দক্ষিণ আফ্রিকার অলরাউন্ডার মারিজান কাপে যখন উইমেনস প্রিমিয়ার লিগ (ডব্লিউপিএল) নিয়ে বলেন, তিনি শুধুমাত্র একজন প্রাপকের চোখে নয়, বরং পরিবর্তনের সাক্ষী হিসেবে বিষয়টি ব্যাখ্যা করেন। তার মতে, ডব্লিউপিএল কেবল সুযোগ নয়, প্রত্যাশার দিক থেকেও নারী ক্রিকেটে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে।
মারিজান কাপে মনে করেন, ডব্লিউপিএলের প্রভাব ইতিমধ্যেই শীর্ষ পর্যায়ে স্পষ্ট। তিনি বলেন, “মানুষ সবসময় বুঝতে পারে না এই লিগগুলো নারী ক্রিকেটের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। যেমন- সম্প্রতি ভারত দীর্ঘ সময় পর তাদের প্রথম নারী বিশ্বকাপ জিতেছে। এটা দেখাচ্ছে যে, শুধু নারী ক্রিকেট নয়, ভারতের ক্রিকেটকেও ডব্লিউপিএল কতটা প্রভাবিত করেছে।”
নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কাপে বলেন, “আমার খেলা কখনো এমনভাবে বৃদ্ধি পেত না যদি এই লিগগুলো হতো না। নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটাররা এখন যে সুযোগ পাচ্ছে, তার অনেকটাই ডব্লিউপিএলের মতো লিগের কারণে।”
বিশ্বের বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে খেলা কাপে মনে করেন, ডব্লিউপিএলের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো দেশীয় খেলোয়াড়দের দ্রুত উন্নয়ন। তিনি বলেন, “প্রথম বছরে প্রধানত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটাররা খেলছিল। কিন্তু দ্বিতীয় বা তৃতীয় বছর থেকেই দেশীয় খেলোয়াড়দের প্রতিভা স্পষ্ট দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের সঙ্গে খেলে তারা বোঝে যে, তারা বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে, যা তাদের আত্মবিশ্বাসকে পুরোপুরি নতুন মাত্রা দেয়।”
ডেলি ক্যাপিটালসের উদাহরণ দিয়ে কাপে বলেন, “সংগঠন, ধারাবাহিকতা এবং সংস্কৃতি এখানে গুরুত্বপূর্ণ। তিনটি ফাইনাল হারা সত্ত্বেও, আমরা মোটামুটি সফল হয়েছি। ফাইনালে ফলাফলের পিছনে কখনো শুধু চাপ নয়, কিছুটা দুর্ভাগ্যও ছিল।”
এই মৌসুমে নেতৃত্বের পরিবর্তন নিয়ে তিনি বলেন, “মেগ ল্যানিংকে হারানো বড় বিষয়, কিন্তু জেমিমা রোড্রিগেসের নেতৃত্বও শক্তিশালী। সিনিয়র খেলোয়াড় ও স্থিতিশীল ম্যানেজমেন্ট আছে তার চারপাশে। জেমিমার নেতৃত্বের গুণাবলি তাকে সুযোগটি যথাযথভাবে কাজে লাগাতে সাহায্য করবে।”
সূত্র : ক্রিকবাজ
– এমইউএম/










