খুলনার ছয় আসনে লড়াই: ৪৬ প্রার্থীর মধ্যে জয়ের অভিজ্ঞতা দুজনের

ছবি:সংগৃহীত

সংসদ নির্বাচন ২০২৬কে সামনে রেখে খুলনার ছয়টি সংসদীয় আসনে ১৪টি রাজনৈতিক দলের মোট ৪৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলন সব আসনে প্রার্থী দিয়েছে। খেলাফত মজলিস পাঁচটি, জাতীয় পার্টি চারটি, সিপিবি তিনটি এবং অন্যান্য দল একটি করে আসনে প্রার্থী দিয়েছে।

প্রার্থীদের তালিকা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৪৬ জনের মধ্যে ৩২ জনই এবার প্রথমবারের মতো নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। বাকি ১৪ জনের মধ্যে অতীতে সরাসরি ভোটে জয় পেয়েছেন মাত্র দুজন—বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও জামায়াতের মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ ছাড়া বিএনপির আলী আজগর লবী ২০০১ সালে উপনির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, খুলনা-১ আসনে ১৩ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে আগে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তিনজন। বিএনপির আমীর এজাজ খান ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিলেও জয় পাননি। শেষ দুইবার তিনি দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলেন। ইসলামী আন্দোলনের আবু সাঈদ ও ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী সুনীল শুভ রায়ও আগের নির্বাচনে অংশ নিয়ে জামানত হারান।

খুলনা-২ আসনে চার প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু ছাড়া বাকি সবাই প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। খুলনা-৩ আসনে ১২ প্রার্থীর মধ্যে ৯ জন নতুন। পুরোনো প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির রকিবুল ইসলাম বকুল একবার দ্বিতীয় হন, অন্যরা জামানত হারিয়েছেন।

খুলনা-৪ আসনে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে চারজন আগেও নির্বাচন করলেও কেউ জয় পাননি। খুলনা-৫ আসনে জামায়াতের মিয়া গোলাম পরওয়ার ও বিএনপির আলী আজগর লবীর নির্বাচনী অভিজ্ঞতা রয়েছে। খুলনা-৬ আসনে ছয় প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনই নতুন মুখ; একমাত্র অভিজ্ঞ প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ আগের নির্বাচনে জামানত হারান।

খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আ স ম জামশেদ খোন্দকার জানান, ৩১ ডিসেম্বর থেকে মনোনয়নপত্র যাচাই শুরু হবে। যাচাইয়ে উত্তীর্ণ হলেই প্রার্থীরা চূড়ান্তভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন।

আফরিনা সুলতানা/