সব থেকে বিরক্তিকর বিপিএল: খালেদ মাহমুদ সুজন

সকালে চট্টগ্রাম রয়‍্যালসের কর্তৃপক্ষ অপারগতা স্বীকার করে ছেড়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা। টুর্নামেন্ট শুরুর এক দিন আগে এমন ঘটনায় সকাল থেকে উত্তাপ ছড়িয়েছে লাক্কাতুয়া থেকে সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সেই রেশ কাটতে না কাটতে হঠাৎ করে নোয়াখালীর অনুশীলন বয়কট করে একাডেমি মাঠ ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হেড কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন ও সহকারী কোচ তালহা জুবায়ের।

সিএনজিতে করে স্টেডিয়াম ত্যাগ করেন প্রথমবারের মতো বিপিএলে নাম লেখানো নোয়াখালীর কোচ। সুজন ও তালহা ক্ষিপ্ত। সহকারী কোচ তালহা জুবায়ের তো বলেই বসলেন, এমন বিরক্তির বিপিএল আগে করেননি তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত হয়, নোয়াখালী এক্সপ্রেস অনুশীলন শুরু করার সময়। সাধারণত অনুশীলনে একাধিক বলের প্রয়োজন হয়। একটি টিমের ব্যাটার এবং বোলারদের অনুশীলনে বলের দরকার হয় ১০ থেকে ১২টা। যেখানে নোয়াখালী অনুশীলনের জন্য বল দিয়েছে মাত্র তিনটি। আরও বল চাওয়ায় টিম ম্যানেজমেন্টের একজন কোচের সঙ্গে কিছুটা বাগবিতণ্ডায় জড়ায়।

এছাড়াও অনুশীলন চালানোর জন্য যথেষ্ট লজিস্টিক সাপোর্ট দিতে পারেনি ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। তাতে মেজাজ হারান দলটির হেড কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন। যদিও দিনভর এত এত ঘটনার পর নতুন করে আর কোনো বিতর্কের জন্ম দিতে চায়নি বিসিবি। যার কারণে খোদ বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও মালিকপক্ষের সন্তুষ্টিজনক কথায় আবারও গাড়িতে করে অনুশীলনে ফিরেছেন নোয়াখালীর দুই কোচ। জানিয়েছেন, তার ফ্র্যাঞ্চাইজির ওপরে দারুণ খুশি তিনি।

অভিমান ভুলে মাঠে ফিরে সুজন জানান, হিট অব দ্য মোমেন্ট, শুধু ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। অনুশীলন বয়কট করে মাঠ ছাড়ার প্রসঙ্গে নোয়াখালীর সুজন বলেন, ‘তালহা বলতেছিল বল নাই বা অনুশীলন করার জন্য যেসব জিনিস দরকার সেগুলো আসে নাই। এটা নিয়েই ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।’

এছাড়া নোয়াখালীর বাকি কাজগুলো নিয়ে সুজন বলেন, ‘আমি আমার ফ্র্যাঞ্চাইজির ওপরে দারুণ খুশি। আমি যেহেতু অনেকগুলো বিপিএল করছি, আমাদের কাপড়-চোপড় থেকে শুরু করে জার্সি দেওয়া, প্লেয়ারদের আজকে পেমেন্ট করে দেওয়া, এসব ব্যাপারে আমি সত্যি অনেক খুশি। ওনারা ওনাদের কথা রাখছেন আশা করি পুরো টুর্নামেন্ট তারা তাদের কথা রাখবেন। ‘উদ্বোধনী দিনে আজ মাঠে নামছে নোয়াখালী। দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে এক্সপ্রেসদের প্রতিপক্ষ বিসিবির চট্টগ্রাম রয়‍্যালস।