প্রাক্তন পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ১৭ বছরের কারাদণ্ডের পরে তোষাখানা ২ দুর্নীতি মামলায় রাওয়ালপিন্ডিতে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। খান দেশব্যাপী প্রতিবাদের আহ্বান
জানিয়েছেন। তিনি বর্তমানে আদিয়ালা জেলে বন্দী আছেন এবং নিজের X অ্যাকাউন্টে সমর্থকদের রাস্তায় নামার আহ্বান জানিয়েছেন।
পুলিশ উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে এবং ১,৩০০-এর বেশি কর্মকর্তা মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে সুপারিনটেনডেন্ট, ইন্সপেক্টর, অ্যান্টি-রায়ট টিম এবং এলিট ফোর্স ইউনিট রয়েছে। শহরে ৩২টি চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং অফিসারদের হাতে রাবার বুলেট ও টিয়ার গ্যাস লঞ্চার রয়েছে। প্রথম দিনে বড় ধরনের সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়নি।
তোষাখানা ২ মামলা ২০২১ সালে সৌদি আরব থেকে প্রাপ্ত রাষ্ট্রীয় উপহারের অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগ সম্পর্কিত। খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবি সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং এই রায়কে অবৈধ ও ত্বরান্বিত বলে উল্লেখ করে উচ্চ আদালতে আপিল করার পরিকল্পনা করছেন। খান দাবি করছেন, জেলায় কঠোর শর্তে রাখা হয়েছে এবং আবারও শীর্ষ সামরিক নেতাদেরকে দায়ী করেছেন, তবে তিনি সেনাবাহিনীকে একটি সম্মানিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে মনে করেন।
রায়টি এমন সময় এসেছে যখন প্রতিবাদের আন্দোলন বেড়েছে, যেমন জামাতে-ইসলামী পাঞ্জাবে নতুন স্থানীয় সরকার আইনের বিরুদ্ধে র্যালি করেছে। নির্বাচনের আগে, খানের এই কারাদণ্ড তাকে রাজনৈতিক অফিসে ফিরে আসা থেকে বিরত করতে পারে, যা এটিকে একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করেছে। আদালতে আপিল চলার সময় কর্তৃপক্ষ কঠোর নিরাপত্তা বজায় রেখেছে।
ইমরান খানের কারাদণ্ড এখন পাকিস্তানের অন্যতম সংবেদনশীল রাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে দাঁড়িয়েছে। সরকার উত্তেজনার সম্ভাবনাকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে, তা প্রমাণ করছে এই ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন।
চৈতী/










