সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে তার প্রতিকার পাওয়া সম্ভব। কিন্তু বেশির ভাগই ভুক্তভোগী মামলা করতে চান না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরামর্শ হচ্ছে, “কেউ সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে নিকটতম থানায় গিয়ে যেন অভিযোগ জানান।”
কোনো অশ্লীল, মানহানিকর বা হুমকিমূলক ই–মেইল আপনাকে পাঠানো হয় কিংবা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হলে থানায় অভিযোগের সঙ্গে সেগুলোর প্রিন্ট জমা দিতে হবে। আপত্তিজনক সাইটের ঠিকানা সংরক্ষণ করুন এবং তদন্ত কর্তৃপক্ষকে সরবরাহ করুন। তবে ফেসবুক বা অন্য সাইটের লগ ফাইলের ডেটা অক্ষত থাকা দরকার।
থানায় কোনো কারণে মামলা করা না গেলে, কোনো আইনজীবীর মাধ্যমে জেলা সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে সাইবার মামলা দাখিল করতে পারবেন।
সাইবার অপরাধের শিকার হয়ে একজন ভুক্তভোগী সিআইডির সাইবার পুলিশে যেতে পারেন বা ডিএমপির সাইবার ক্রাইম ইউনিটেও যেতে পারেন। জরুরি পুলিশ সেবার জন্য ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯–এ ফোন করতে পারবেন।
কী করবেন
- সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে প্রথমে নিজেকে বোঝাতে হবে, এর জন্য আপনি দায়ী নন।
- সাইবার বা ডিজিটাল অপরাধের শিকার হলে আতঙ্কিত হওয়া যাবে না, ভয় পাওয়া যাবে না। মাথা ঠান্ডা রেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে হবে।
- সাইবার বুলিংয়ের শিকার হলে কখনোই আপনি সাড়া দেবেন না। নিজে পাল্টা আক্রমণ করবেন না।
- আপনি আক্রমণের শিকার—এর পক্ষে যথাযথ প্রমাণ সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ করবেন।
- প্রাথমিকভাবে যে বা যার দ্বারা বুলিংয়ের শিকার হচ্ছেন, তাকে বুঝিয়ে বলতে পারেন। আপনি না পারলে আপনার বন্ধু বা আত্মীয়কেও এই আলোচনাটুকু করতে অনুরোধ করতে পারেন।
- বুলিংয়ের শিকার যেহেতু নারীরা বেশি হন এবং সাধারণত তাঁরা তাঁদের সমস্যাগুলো এখনো পরিবারের সঙ্গে শেয়ার করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না, তাই বুলিংয়ের শিকার হলে অবশ্যই একজন আপনজনকে জানাতে হবে।
- সামাজিক যোগাযোমাধ্যমের সব অ্যাকাউন্টেই ব্লক করার সুবিধা থাকে। প্রাথমিক বুলিং হলে বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ ও অসংলগ্ন কথা বললে তাকে ব্লক করে দিতে পারেন।
-মাহমুদ










