রিমান্ড শেষে সাংবাদিক আনিস আলমগীর কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

২০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত এ আদেশ দেন।

১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ রাতে ধানমন্ডির একটি জিম থেকে ডিবি পুলিশ আনিস আলমগীরকে আটক করে। পরের দিন ১৫ ডিসেম্বর তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হলে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছিল

রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় রিমান্ড শেষে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাতের আদালত এ আদেশ দেন।
এদিন রিমান্ড শেষে সাংবাদিক আলমগীরকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক কাজী শাহনেওয়াজ তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
পরে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়। এ সময় আইনজীবী নাজনীন নাহার ও আসামিপক্ষের অন্য আইনজীবীরা তার কারাগারে ডিভিশন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত কারাবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর আগে গ্রেপ্তারের পর গত ১৫ ডিসেম্বর আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।ওই আবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশ হেফাজতে নিয়ে আসামিকে প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তার কাছ থেকে মামলাসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্যাদি যাচাই-বাচাই করা হচ্ছে। যাচাইকালে তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেলে আসামিকে পুনরায় রিমান্ডে আনার প্রয়োজন হতে পারে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফলে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করেন। কিন্তু তার অনুসারীরা দেশের মধ্যে বিভিন্ন কৌশলে ঘাপটি মেরে অবস্থান করে দেশকে অস্থিতিশীল ও রাষ্ট্রের অবকাঠামোকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র করে আসছে। আসামিরা আগে থেকে আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় রয়েছে।

মামুন