দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল কাজী মমরেজ মাহমুদের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। ২০১০-২০১১ করবর্ষ থেকে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫ বছরের আয়কর নথি এখন দুদকের তদন্তাধীন থাকবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন আদেশের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের পক্ষ থেকে আদালতে করা আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কাজী মমরেজ মাহমুদ দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৪৫ লাখ ১৫ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এ ছাড়াও তার বিরুদ্ধে ১৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে এই মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনে আরও বলা হয়েছে, মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির আয়-ব্যয়ের সঠিকতা যাচাই এবং অন্য কোনো গোপন সম্পদের সন্ধান পেতে ২০১০-২০১১ থেকে ২০২৪-২০২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথিগুলো পর্যালোচনা করা একান্ত প্রয়োজন। আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে দুদকের আবেদনটি মঞ্জুর করেন এবং প্রয়োজনীয় নথি জব্দের নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্র জানায়, এই নথিপত্র পর্যালোচনার মাধ্যমে আসামির প্রকৃত আর্থিক অবস্থার চিত্র উঠে আসবে, যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।