মাদারীপুরে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতের অভিযানে চারটি প্রতিষ্ঠানকে বিভিন্ন অভিযোগে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) মুস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় পাইকারি ফলের আড়ত ও মিষ্টির দোকানে সংক্ষিপ্ত বিচারিক আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত, মাদারীপুরের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এলিয়াম হোসেন। নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী তাৎক্ষণিক বিচারিক কার্যক্রম শেষে দোষ প্রমাণিত হওয়ায় চারটি প্রতিষ্ঠানকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
তরমুজ আড়তে অনিয়ম দুইটি তরমুজ বিক্রয়কারী আড়তে নিম্নমানের ও অপরিপক্ব তরমুজ বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়। পাশাপাশি নিবন্ধন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পূর্ণ না থাকায় প্রতিটি আড়তকে ১ লাখ টাকা করে মোট ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

মিষ্টির দোকানে ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য অভিযানে দুইটি মিষ্টির দোকানে ভেজাল, পচনশীল ও মেয়াদোত্তীর্ণ মিষ্টি পাওয়া যায়। এছাড়া নিবন্ধনের কাগজপত্র না থাকা এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় নিম্নমানের তেল ও কেমিকেল জাতীয় উপাদান ব্যবহারের আলামত পাওয়া যায়। জব্দকৃত পচা ও ভেজাল মিষ্টি ধ্বংস করা হয়। প্রতিটি দোকানকে সর্বনিম্ন ১ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।
ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মানসম্মত ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এবং বিক্রির নির্দেশ দেন।
অভিযান পরিচালনাকালে নিরাপদ খাদ্য মাদারীপুরের সহকারী পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির, ক্যাশিয়ার, বেঞ্চ সহকারী, কোর্ট স্টাফ, মাদারীপুর জেলা পুলিশ ও আনসার ব্যাটালিয়ন টিম সার্বিক সহযোগিতা করেন।
জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
হাবিবুর রহমান সুমন, মাদারীপুর










