গ্যাস লিকেজে বিস্ফোরণ, কচুয়ায় দগ্ধ একই পরিবারের তিনজন

চাঁদপুরের কচুয়ায় গ্যাসলাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে এক পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন। গতকাল বুধবার ভোরে উপজেলার ৭ নম্বর দক্ষিণ ইউনিয়নের হোসেনপুরে এ ঘটনা ঘটে।

দগ্ধরা হলেন– খাদিজা আক্তার (৩০), তাঁর মেয়ে শিউলি আক্তার (৭) ও ভাই মাহমুদুল হাসান (৩৬)। তারা রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

আহত মাহমুদুল হাসান জানান, আগে থেকে গ্যাসলাইন লিকেজ ছিল। ভোর সাড়ে ৪টায় সাহ্রি করতে উঠে চুলা জ্বালাতে গেলে বিস্ফোরণ ঘটে। প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান তারা। সেখান থেকে চিকিৎসকরা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠান।

জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক সহকারী অধ্যাপক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে চাঁদপুর থেকে তিনজনকে দগ্ধ অবস্থায় আনা হয়। তাদের মধ্যে খাদিজা আক্তারের ৩৫ শতাংশ, মাহমুদুলের ৪ শতাংশ ও শিউলি আক্তারের ২ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। খাদিজাকে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুজন জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।

১০ দোকান পুড়ে ছাই

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জের কামারহাট বাজারে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডে ১০টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে কামারহাট বাজারে আলিফ স্টোরের স্বত্বাধিকারী বাহার উদ্দিনের গ্যাসের দোকানে চুলা মেরামতের সময় হঠাৎ একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়। এতে মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানে। কাপড়ের দোকান, মুদি দোকান, ইলেকট্রনিক সামগ্রীসহ প্রায় ১০টি দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। প্রথমে স্থানীয় লোকজন আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালান। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ৯টা ৪০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করার সময় ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্য আহত হন। তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অগ্নিকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্ত শেষে জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা রঞ্জিত কুমার সাহা জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বাহারের দোকানে থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত

-সাইমুন