তিন নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমে কার্যকর ইনিংস। বল হাতে বৈধ প্রথম দুই বলে দুই উইকেট। পরে উইকেট আরও দুটি। দারুণ অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে আলো ছড়িয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের জয়ের নায়ক রাচিন রাভিন্দ্রা।
সুপার এইটে শ্রীলঙ্কাকে ৬১ রানে হারিয়ে সেমি-ফাইনালের পথে বড় এক ধাপ এগিয়ে গেছে নিউ জিল্যান্ড। কলম্বোয় বুধবার কিউইরা ১৬৮ রানের পুঁজি গড়ে শ্রীলঙ্কাকে আটকে দিয়েছে ১০৭ রানে।
ব্যাট হাতে তিন চার ও এক ছক্কায় ২২ বলে ৩২ রানের ইনিংস খেলেন রাভিন্দ্রা। বাঁহাতি স্পিনিং অলরাউন্ডার পরে চার ওভারে ২৭ রানে নেন ৪ উইকেট। ম্যাচ-সেরার পুরস্কার ওঠে তার হাতেই। নিউজিল্যান্ডের হয়ে টেস্টে দুইবার ও ওয়ানডেতে তিনবার ‘ম্যান অব দ্য ম্যাচ’ হলেও, টি-টোয়েন্টিতে প্রথমবার সেরার স্বীকৃতি পেলেন ২৬ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এই প্রথম ম্যাচে চার উইকেট পেলেন রাভিন্দ্রা। তার ২৭ রানে ৪ উইকেট বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের স্পিনারদের মধ্যে তৃতীয় সেরা বোলিং। ২০০৭ আসরে ভারতের বিপক্ষে ২০ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন ড্যানিয়েল ভেটোরি, ২০১৬ আসরে ভারতের বিপক্ষেই ১১ রানে ৪ উইকেট নিয়েছিলেন মিচেল স্যান্টনার।
ম্যাচের চতুর্থ ওভারে ফিন অ্যালেনের বিদায়ের পর ব্যাটিংয়ে নামেন রাভিন্দ্রা। প্রথম ১৪ বলে দুটি চারে তার রান ছিল ১৮। এরপর লেগ স্পিনার দুশান হেমান্থাকে ৯৮ মিটার ছক্কায় ওড়ান তিনি। ২৫ রানে তিনি জীবন পান দাসুন শানাকা ক্যাচ ফেলায়। এরপর যদিও বেশিদূর যেতে পারেননি। আরেকটি চার মেরে আউট হয়ে যান দ্বাদশ ওভারে।
দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারানোর পর, সপ্তম উইকেটে মিচেল স্যান্টনার ও কোল ম্যাককনকির ৪৭ বলে ৮৪ রানের জুটিতে দেড়শ ছাড়ানো পুঁজি পায় নিউজিল্যান্ড।
রান তাড়ায় প্রথম তিন ওভারের মধ্যে দুই ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। নবম ওভারে বোলিং পেয়ে প্রথম বলেই উইকেট পান রাভিন্দ্রা। তার স্লোয়ারে স্টাম্পড হয়ে ফেরেন কুসাল মেন্ডিস। রাভিন্দ্রা এরপর ওয়াইড দেন একটি। পরের বলে স্টাপিংয়ের ফাঁদে পড়েন পাভান রাত্নায়েকেও।
রাভিন্দ্রার পরের ওভারে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শানাকা। তৃতীয় ওভারে তিনি উইকেট পান আরেকটি, এবার ক্যাচ দেন হেমান্থা। তিন ওভারে ১৯ রানে ৪ উইকেট নেওয়া রাভিন্দ্রা কোটার শেষ ওভারে দেন আট রান।
-সাইমুন










