নেত্রকোণা জেলার পূর্বধলা উপজেলার পূর্বধলা সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের উকুয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা বিধবা হালেমা খাতুন চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন। ঝড়-তুফান, শীত-গরম উপেক্ষা করে একটি জরাজীর্ণ ঘরে সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছেন তিনি।
প্রায় ৩০ বছর আগে তার স্বামী আব্দুল খালেক মারা যান। তখন তার ছেলের বয়স ছিল মাত্র ১৮ মাস। বর্তমানে ছেলেটির একটি হাত প্রতিবন্ধী হওয়ায় নিয়মিত কাজ করতে পারেন না। বয়সে বড় মেয়ে বাকপ্রতিবন্ধী। বিয়ের উপযুক্ত বয়স হলেও প্রতিবন্ধিতার কারণে মেয়েকে বিয়ে দিতে পারছেন না তিনি।
হালেমা খাতুন মানুষের বাড়িতে কাজ করা ও রাস্তায় মাটি কাটার মতো কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কোনোভাবে সংসার চালান। অনেক সময় না খেয়েও থাকতে হয় বলে জানান তিনি।
আক্ষেপ করে হালেমা খাতুন বলেন, “অনেকেই সরকারি ঘর পেয়েছে, কিন্তু আমার কপালে জোটেনি। নিজের সামর্থ্যে ঘর নির্মাণের কোনো উপায় নেই। বোবা মেয়েকে নিয়ে খুব কষ্টে আছি। কেউ যদি একটি ঘরের ব্যবস্থা করে দিত, আল্লাহর কাছে দোয়া করতাম। লজ্জায় কারও কাছে চাইতেও পারি না।”
এ বিষয়ে মোঃ আনিছুর রহমান খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), বলেন হালেমা খাতুন ঘরের জন্য আবেদন করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তার ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি, অসহায় এই পরিবারটির জন্য দ্রুত সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
—সালাহ উদ্দীন খান রুবেল, নেত্রকোণা










