মেধা, দক্ষতায় আগের প্রজন্ম থেকে পিছিয়ে জেন জি

বলছে গবেষণা ‘জেন–জিরা অনেক দিক দিয়ে এগিয়ে থাকলেও তাদের একাডেমিক জ্ঞান খুব খারাপ। আর এটা নিয়ে তাদের মধ্যে কোনো অনুশোচনাও নেই।’ গবেষণা করে অবাক করা এমন তথ্যই জানালেন স্নায়ুবিজ্ঞানী ড. জ্যারেড কুনি হরভাথ। বিভিন্ন দেশের মান নির্ধারণী একাডেমিক পরীক্ষার বিপুল তথ্য বিশ্লেষণ করে এই গবেষণা তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ মোটা অংকের বিনিয়োগ শেষ পর্যন্ত এক মেধাহীন প্রজন্ম তৈরির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা এক ‘ভয়াবহ ব্যর্থ পরীক্ষা’।

গত কয়েক দশকে পাঠ্যবই সরিয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট তুলে দিতে প্রায় ৩ হাজার কোটি ডলার ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এ প্রযুক্তিগত পরীক্ষার ফলাফল হয়েছে ভয়াবহ। বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা তাদের মা-বাবাদের তুলনায় কম মেধাবী ও মানসিকভাবে কম দক্ষ হয়ে গড়ে উঠছে।

বিভিন্ন গবেষণায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ মোটা অংকের বিনিয়োগ শেষ পর্যন্ত এক মেধাহীন প্রজন্ম তৈরির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা এক ‘ভয়াবহ ব্যর্থ পরীক্ষা’।

ফরচুন সাময়িকী প্রতিবেদনে লিখেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম অঙ্গরাজ্য হিসেবে ২০০২ সালে নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ল্যাপটপ প্রোগ্রাম চালু করে মেইন। তৎকালীন গভর্নর অ্যাঙ্গাস কিং এ প্রোগ্রামটিকে শিশুদের হাতের নাগালে ইন্টারনেট পৌঁছে দেওয়ার এক মাধ্যম হিসেবে দেখেছিলেন, যাতে তথ্যের বিশাল ভাণ্ডারে নিজেদের সমৃদ্ধ করতে পারে শিশুরা।

ওই বছর শরতের মধ্যে ‘মেইন লার্নিং টেকনোলজি ইনিশিয়েটিভ’-এর আওতায় ২৪৩টি মিডল স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৭ হাজার অ্যাপল ল্যাপটপ দেওয়া হয়। ২০১৬ সালের মধ্যে শিক্ষার্থীদেরকে মোট ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট দেওয়ার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৬ হাজারে।

গভর্নর কিং-এর সেই শুরুর দিকের উদ্যোগের প্রতিফলন পরবর্তীতে পুরো দেশজুড়েই দেখা গেছে। ২০২৪ সাল নাগাদ বিভিন্ন স্কুলে ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট সরবরাহের পেছনে ৩ হাজার কোটি ডলারের বেশি ব্যয় করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

তবে প্রযুক্তির বিবর্তন ও দীর্ঘ ২৫ বছরেরও বেশি সময় পার হওয়ার পর কিংয়ের প্রত্যাশার চেয়ে ভিন্ন এক ফলাফল দেখতে পাচ্ছেন মনোবিজ্ঞানী ও শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা। প্রজন্মকে অনেক তথ্যের সুযোগ দিয়ে শক্তিশালী করার বদলে এ প্রযুক্তির প্রভাব হয়েছে ঠিক উল্টো।

এ বছরের শুরুতে মার্কিন সেনেট কমিটির সামনে এক লিখিত বক্তব্যে স্নায়ুবিজ্ঞানী জ্যারেড কুনি হরভথ বলেছেন, প্রযুক্তির অভূতপূর্ব সুযোগ থাকার পরও জেন জি বা বর্তমান প্রজন্মের মানসিক বা জ্ঞানীয় সক্ষমতা আগের প্রজন্মের তুলনায় কম। আধুনিক ইতিহাসে জেন জি’ই প্রথম প্রজন্ম যারা মানসম্মত বিভিন্ন পরীক্ষায় আগের প্রজন্মের চেয়ে কম নম্বর পেয়েছে।

এ স্নায়ুবিজ্ঞানী বলেছেন, তাদের বিভিন্ন পরীক্ষায় যাচাই করা বিভিন্ন দক্ষতা, যেমন সাক্ষরতা বা গাণিতিক জ্ঞান সবসময় বুদ্ধিমত্তার একমাত্র মাপকাঠি না হলেও এগুলো মানুষের ‘জ্ঞানীয় সক্ষমতা’ বা চিন্তা শক্তির প্রতিফলন। গত এক দশক বা তার বেশি সময় ধরে এ সক্ষমতা ক্রমাগত কমছে।

বিশ্বজুড়ে ১৫ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের ওপর করা ‘প্রোগ্রাম ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাসেসমেন্ট’ বা পিআইএসএ ও অন্যান্য মানসম্মত পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে হরভথ বলেছেন, কেবল পরীক্ষার নম্বর কমছে এমন নয়, বরং স্কুলে কম্পিউটারে কাটানো সময়ের সঙ্গে এই নম্বরের সরাসরি সম্পর্কও রয়েছে, যেখানে স্ক্রিন টাইম বা স্ক্রিনের সামনে শিক্ষার্থীর যত বেশি সময় কেটেছে, পরীক্ষার ফলাফল ততই খারাপ হয়েছে।

এজন্য শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তির ওপর লাগামহীন নিয়ন্ত্রণকে দায়ী করেছেন হরভথ, যা শিশুদের শেখার সক্ষমতাকে শক্তিশালী করার বদলে উল্টো কমিয়ে দিয়েছে। ২০০৭ সালে আইফোনের বাজারে আসা এ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

“বিষয়টি প্রযুক্তিকে বর্জনের কোনো বিতর্ক নয়, বরং শিক্ষার বিভিন্ন উপকরণকে মানুষের শেখার প্রকৃত পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রশ্ন। আমাদের প্রমাণ বলছে, বাছবিচারহীন ডিজিটাল বিস্তার শিক্ষাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার বদলে দুর্বল করে দিয়েছে।”

আসলে এ পরিণতির আভাস আগেই মিলেছিল। ২০১৭ সালে ফরচুন ম্যাগাজিন প্রতিবেদনে লিখেছিল, মেইন অঙ্গরাজ্যে প্রযুক্তি কর্মসূচি চালুর ১৫ বছরেও সেখানকার পাবলিক স্কুলগুলোর পরীক্ষার ফলাফলে কোনো উন্নতি হয়নি।

তৎকালীন গভর্নর পল লেপেজ এ কর্মসূচিকে ‘বড় ব্যর্থতা’ হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। ওই সময়ও অ্যাপলের সঙ্গে চুক্তির পেছনে বিপুল পরিমাণ অর্থও ঢেলে যাচ্ছিল মার্কিন সরকার।

এখন জেন জি প্রজন্মকে তাদের কমে যাওয়া শেখার সক্ষমতার পরিণতির মুখে পড়তে হবে। এরইমধ্যে একুশ শতকের আরেক প্রযুক্তিগত বিপ্লব ‘জেনারেটিভ এআই’ বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পরিবর্তনের মাধ্যমে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে এ প্রজন্ম।

গেল বছর প্রকাশিত ‘স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি’র এক প্রথম সারির গবেষণার প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে, এআইয়ের এই অগ্রগতি মার্কিন শ্রমবাজারে প্রাথমিক স্তরের কর্মীদের ওপর ‘ব্যাপক ও অসম প্রভাব’ ফেলছে।

তবে হরভথ সতর্ক করে বলেছেন, কম দক্ষতাওয়ালা জনসংখ্যা মানে কেবল চাকরির খারাপ সুযোগ বা পদোন্নতি না হওয়া নয়, বরং তা আগামী দশকগুলোতে মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষার বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে ওঠার ক্ষমতাকেও বিপন্ন করে তুলবে।

“আমরা মানব ইতিহাসের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি জটিল ও সুদূরপ্রসারী চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছি, যেখানে অতিরিক্ত জনসংখ্যা থেকে শুরু করে নিত্যনতুন রোগব্যাধি ও নৈতিক অবক্ষয় পর্যন্ত হচ্ছে। এখন আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে এমন এক প্রজন্ম বেশি প্রয়োজন, যারা বিষয়ের সূক্ষ্ম বিভিন্ন পার্থক্য বুঝতে, একসঙ্গে একাধিক সত্যকে ধারণ করতে এবং সৃজনশীলভাবে এমন সব সমস্যার সমাধান করবে, যা আজকের সেরা প্রাপ্তবয়স্ক মস্তিষ্কগুলোকেও হতভম্ব করে দেবে।”

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তির ব্যবহার অভাবনীয়ভাবে বেড়েছে। ২০২১ সালে ‘এডউইক রিসার্চ সেন্টার’ ৮৪৬ জন শিক্ষকের ওপর এক জরিপ চালায়, যেখানে উঠে এসেছে, ৫৫ শতাংশ শিক্ষক প্রতিদিন এক থেকে চার ঘণ্টা শিক্ষামূলক প্রযুক্তির পেছনে ব্যয় করছেন।

এ ছাড়া আরও এক-চতুর্থাংশ শিক্ষক বলেছেন, ডিজিটাল বিভিন্ন টুল দিনে পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যবহার করছেন তারা। শিক্ষকরা এসব টুলকে কেবল শিক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে চাইলেও শিক্ষার্থীদের ভাবনা প্রায়ই আলাদা।

২০১৪ সালের এক গবেষণায় তিন হাজার ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীর ওপর জরিপ ও পর্যবেক্ষণ চালানো হয়েছিল। ওই গবেষণায় দেখা গেছে, নিজেদের কম্পিউটারে কাটানো সময়ের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সময়ই পড়াশোনার বাইরের নানা কাজে ব্যস্ত থাকছে শিক্ষার্থীরা।

লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়ার এ প্রবণতাকেই শিক্ষার পথে প্রযুক্তির অন্যতম প্রধান বাধা হিসেবে দায়ী করেছেন স্নায়ুবিজ্ঞানী হরভথ। যখন কারোর মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে তখন পুনরায় সেই কাজে মনোনিবেশ করতে বেশ সময় লাগে।

এ ছাড়া বারবার ‘টাস্ক-সুইচিং’ বা এক কাজ থেকে অন্য কাজে যাওয়ার ফলে স্মৃতিশক্তি দুর্বল এবং ভুলের পরিমাণ বেড়ে যায়। হরভথ বলেছেন, কোনো একটি কঠিন বিষয়ের গভীরে ঢোকা বা তা আয়ত্ত করা বেশ কষ্টসাধ্য। আর ভালো কোনো কিছু শেখার বেলায় এটাই হওয়ার কথা।

“দুর্ভাগ্যক্রমে ‘সহজ পন্থা’ কখনোই শেখার কোনো বৈশিষ্ট্য ছিল না। শেখা মানে শ্রমসাধ্য, কঠিন ও অনেক সময় অস্বস্তিকর প্রক্রিয়া। তবে এ মানসিক লড়াই বা পরিশ্রমই শিক্ষাকে গভীর এবং ভবিষ্যতে কাজে লাগানোর উপযোগী করে গড়ে তোলে আমাদের।”

‘স্যান ডিয়েগো স্টেট ইউনিভার্সিটি’র মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক ও জেনারেশন বা প্রজন্মের পার্থক্য নিয়ে গবেষণাকারী জিন টুয়েঞ্জ বলেছেন, কোনো এক নির্দিষ্ট বিষয়ে দীর্ঘক্ষণ মনোযোগ ধরে রাখা বর্তমান প্রযুক্তির প্রসারের ধরনের সম্পূর্ণ বিপরীত।

‘টেন রুলস ফর রেইজিং কিডস ইন এ হাই টেক ওয়ার্ল্ড’ বইটির লেখক টুয়েঞ্জ বলেছেন, স্ক্রিনের সামনে বেশি সময় কাটানো কেবল শেখার ক্ষেত্রেই যে অকার্যকর তা নয়, বরং বিষয়টি উল্টো ফল দেয়।

“বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম ও গেইমিং অ্যাপসহ অনেক অ্যাপই এমনভাবে তৈরি, যাতে মানুষ এতে আসক্ত হয়ে পড়েন। তাদের ব্যবসার মডেলই ব্যবহারকারীরা যেন অ্যাপগুলোতে যতটা সম্ভব বেশি সময় কাটায় এবং বারবার সেগুলো চেক করে।”

২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রকাশিত ‘বেলর ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বাধীন এক গবেষণায় এর পেছনের কারণ উঠে এসেছে। টিকটক ব্যবহার করা সবচেয়ে সহজ ও এতে সবচেয়ে কম পরিশ্রম করতে হয় মানুষকে। ইনস্টাগ্রাম রিলস বা ইউটিউব শর্টসের চেয়েও বেশি আসক্তি তৈরি করে টিকটক। কারণ তা ব্যবহারকারীর পছন্দের ভিডিওর পাশাপাশি কিছু চমকপ্রদ ও অপ্রত্যাশিত ভিডিওর ভারসাম্যও ধরে রাখে।

সামাজিক মাধ্যম আসক্তির বিষয়টি এখন যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, যেখানে এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন সাড়ে তিনশটি পরিবার ও আড়াইশটি স্কুল ডিস্ট্রিক্টের মোট ১ হাজার ৬০০ জন বাদী।

তাদের অভিযোগ, মেটা, স্ন্যাপচ্যাট, টিকটক ও ইউটিউব এমন সব আসক্তিবান্ধব প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে, যা শিশুদের মধ্যে বিষণ্নতা ও নিজের জীবনাবসানের মতো মানসিক স্বাস্থ্য সংকটের জন্ম দিচ্ছে।

শ্রেণিকক্ষে প্রযুক্তির ব্যবহার সংক্রান্ত জেন জি’র এ সমস্যার সমাধানে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা দিয়েছেন হরভথ। তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, কংগ্রেস এমন কিছু কার্যকর মানদণ্ড নির্ধারণ করতে পারে, যার মাধ্যমে গবেষণা হবে কোন ডিজিটাল টুলগুলো আসলে শ্রেণিকক্ষে কার্যকর।

এ ছাড়া, অপ্রাপ্তবয়স্কদের অনলাইন আচরণ ট্র্যাকিং, প্রোফাইল তৈরি ও তাদের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের জন্য আইন প্রণেতারা পদক্ষেপ নিতে পারেন।

কিছু স্কুল এরইমধ্যে নিজেদের উদ্যোগে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। ২০২৫ সালের অগাস্ট পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি অঙ্গরাজ্য স্কুলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং পাঠদানের সময় ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫টি অঙ্গরাজ্যে শ্রেণিকক্ষে ফোন ব্যবহার সীমিত করার আইন রয়েছে। ‘ন্যাশনাল সেন্টার ফর এডুকেশন স্ট্যাটিস্টিকস’-এর তথ্য অনুসারে, ৭৫ শতাংশেরও বেশি স্কুল বলেছে, তাদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তবে এসব নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের ক্ষেত্রে সফলতার হার একেক জায়গায় একেক রকম।

হরভথ বলেছেন, চিন্তাশক্তি ও শেখার দক্ষতা কমে যাওয়াটা ব্যক্তিগত ব্যর্থতার চেয়ে, বরং নীতিগত ব্যর্থতাই বেশি। গ্যাজেট বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে পাওয়া শিক্ষা এ আমেরিকান প্রজন্মকে ‘ব্যর্থ এক শিক্ষামূলক পরীক্ষার শিকার’ করেছে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

“আমি যখনই টিনএজারদের সঙ্গে কাজ করি তাদের বলি, এ দোষ তোমাদের নয়। তোমাদের মধ্যে কেউ নিজে থেকে চায়নি যে তোমাদের পুরো স্কুল জীবন কম্পিউটারের সামনে বসে কাটুক। দোষ আমাদের… ভুল আমরা করেছি এবং আমি মনেপ্রাণে আশা করি, জেন জি দ্রুতই বিষয়টি বুঝবে এবং এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করবে।”

-মামুন