স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, একুশে ফেব্রুয়ারির গুরুত্ব, জাতির আবেগ এবং ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতি সম্মান বজায় রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি বলেন, “একুশ আমাদের অহংকার। ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের পর জাতির মধ্যে যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তার অন্যতম হলো জাতীয় ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়া। সেই চিন্তা থেকেই এবারের একুশে ফেব্রুয়ারি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পালন করা হয়েছে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে কেবল ধারণ করি না, তা লালন করাও আমাদের দায়িত্ব। জাতীয় জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২। এখান থেকেই স্বাধীনতার বীজ বপন শুরু হয়েছে। এই ইতিহাসকে আরও মহিমান্বিত করা আমাদের লক্ষ্য।”
তিনি জানান, ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের বড় প্রত্যাশার মধ্যে একটি হলো জাতীয় সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে যথাযথ সম্মান দেওয়া। সেই প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যেই এবারের একুশকে মর্যাদাবান করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে সব জাতীয় দিবস ও কর্মসূচি যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হবে।
একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানোর সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, “একুশ শুধু একটি দিবস নয়, এটি জাতির চেতনার মূল ভিত্তি। এই চেতনা থেকেই আগামীতেও জাতীয় সংস্কৃতি ও ইতিহাসকে সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার করা হবে।”
-এমইউএম










