সংস্কৃতি বিষয়ে নতুন সরকারের কাছে টেলিভিশন, চলচ্চিত্র, সংগীত ও নাট্যাঙ্গনের মানুষদের অনেক প্রত্যাশা। একটি গণমাধ্যমে নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি সেই প্রত্যাশার কথা জানান।
তিনি বলেন, গত দেড় বছরে তথ্য এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কাজকর্মে আমি হতাশ। নতুন সরকারের এই দুই বিভাগে থেকে তাই আশাবাদী হতে চাই। প্রকাশ্য রাজনৈতিক মতাদর্শ থাকলেও কোনো শিল্পীকে একঘরে করার চর্চাটা মোটেও ঠিক নয়। একজন সাধারণ মানুষ যদি রাজনীতির অংশ হন, তাহলে একজন শিল্পী কেন হতে পারবেন না। একজন শিল্পী বিএনপি পছন্দ করবেন, নাকি আওয়ামী লীগ পছন্দ করবেন, নাকি জাতীয় পার্টি—এটা একান্তই তাঁর ব্যাপার।
তিনি বলেন, শিল্পীর যোগ্যতা থাকলে তাঁকে সঙ্গে নিয়েই সরকারের পথচলা উচিত। আর কিছু শিল্পী আছেন, সুযোগ পেলেই যাঁরা এর সঙ্গে ওর সঙ্গে ছবি টাঙিয়ে দেন—এ ধরনের যাঁরা, তাঁদের শিল্পী হিসেবে না দেখে অতিথি পাখি হিসেবে দেখা হোক। এঁদের ব্যাপারে সচেতন থাকা উচিত। আর কোনো শিল্পী যদি দলীয় ব্যানারে সুযোগ নিতে চান, তাঁর ব্যাপারেও সতর্ক থাকা উচিত। শিল্পীকে তাঁর শিল্পকর্ম দিয়ে মূল্যায়ন করা উচিত।
সালেহীন খান









