গ্রুপপর্বে টানা জয় ধরে রেখে দাপট দেখাচ্ছে ভারত। তবে দলের এই সাফল্যের মাঝেও বিব্রতকর রেকর্ডে নাম উঠেছে ওপেনার অভিষেক শর্মার।
আসরের প্রথম ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রথম বলেই আউট হন অভিষেক। অসুস্থতার কারণে এক ম্যাচ মিস করার পর পাকিস্তান ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষেও রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। ফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা তিন ম্যাচে শূন্য রানে আউট হওয়ার তালিকায় যুক্ত হলো তার নাম।
এর আগে এই নজির গড়েছিলেন ভারতের আশিষ নেহরা (২০১০-১৬), ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্দ্রে ফ্লেচার (২০০৯) এবং উগান্ডার রজার মুকাসা (২০২৪)। এখন পর্যন্ত চারজন ক্রিকেটারই বিশ্বকাপে টানা সর্বোচ্চ তিন ম্যাচে ডাক পেয়েছেন।
শুধু তাই নয়, আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এক পঞ্জিকাবর্ষে ওপেনার হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পাঁচবার শূন্য রানে আউট হওয়ার রেকর্ডেও নাম লিখিয়েছেন ২৫ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ব্যাটার। একই বছরে পাঁচবার ডাক পাওয়া অন্যদের মধ্যে আছেন থাইল্যান্ডের চালোয়েমওং চাটফাইসান, নেপালের কুশল ভুর্তেল, ইন্দোনেশিয়ার ধর্ম কেসুমা এবং বাংলাদেশের পারভেজ হোসেন ইমন। এ ক্ষেত্রে শীর্ষে আছেন পাকিস্তানের সাইম আইয়ুব—গত বছর তিনি ছয়বার শূন্য রানে আউট হন।
দুবের অলরাউন্ড নৈপুণ্যে জয়। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ভারতের জয়ে বড় ভূমিকা রাখেন শিভাম দুবে। আগে ব্যাট করে ভারত ২০ ওভারে ৬ উইকেটে তোলে ১৯৩ রান। ৩১ বলে ৪ চার ও ৬ ছক্কায় ৬৬ রান করেন দুবে। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব করেন ৩৪ এবং তিলক ভার্মা যোগ করেন ৩১ রান।
জবাবে লড়াই জমালেও নেদারল্যান্ডস থামে ১৭৬ রানে। ১৭ রানের জয়ে ভারতের পক্ষে সর্বোচ্চ তিন উইকেট নেন বরুণ চক্রবর্তী, দুবে নেন দুটি।
টানা চার ম্যাচ জিতে ‘এ’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে সুপার এইটে উঠেছে ভারত। পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টানা সর্বোচ্চ জয়ের নিজেদের রেকর্ড আরও বাড়িয়ে ১২–তে নিয়েছে তারা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আটটি করে টানা জয়ের রেকর্ড রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার, আর সাতটি করে জয়ের কীর্তি আছে ইংল্যান্ড ও ভারতেরই।
এদিকে চলতি আসরে এখন পর্যন্ত ১২ জন বোলার ব্যবহার করেছে ভারত একটি বিশ্বকাপে যা তাদের সর্বোচ্চ। এর আগে ২০০৯ আসরে ১১ জন বোলার ব্যবহার করেছিল দলটি। তবে ফিল্ডিংয়ে কিছুটা দুর্বলতা দেখা গেছে; এখন পর্যন্ত ৯টি ক্যাচ ছেড়েছে ভারত, যা চলতি আসরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
-এমইউএম










