পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় জরাজীর্ণ কাঁচা স্কুল ঘরগুলো ভেঙে পড়ায় চরম বিপাকে পড়েছে শত শত শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিনের অবহেলা আর সাম্প্রতিক দুর্যোগে টিন ও মাটির তৈরি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ফলে পাড়ায় শিক্ষা কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে ।
ডুলুছড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নেই। স্থানীয় উদ্যোগে তৈরি করা টিনের বেড়া আর টিনের চালার স্কুলগুলো এখন ধ্বংসের দিকে।
কোনো বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষকরা এখন অনেক তীব্র রোদ আর ধুলোবালির মধ্যে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ছে বলে জানায়। স্কুল ঘর ভেঙে যাওয়ায় বেঞ্চ, ব্ল্যাকবোর্ড এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত বই-খাতা বৃষ্টির পানিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে।
লংগদু উপজেলার ৪নং বাগাচত্তর ইউনিয়ন ডুলুছড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক এডিসন চাকমা জানান, “আমাদের এই স্কুলটি ছিল গ্রামবাসীর একমাত্র আশা। ঘরটি ভেঙে যাওয়ার পর শিশুদের মধ্যে পড়াশোনার আগ্রহ কমে যাচ্ছে। অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে স্কুলে পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছেন।
পাহাড়ের এই সংকট নিরসনে বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় জেলা পরিষদগুলো কাজ করবে এবং সরকার দুর্গম এলাকায় আধুনিক ও টেকসই শিক্ষা অবকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা হাতে নিবে বলে আমি আশাবাদী।
তবে স্থানীয়দের দাবি, বর্ষা আসার আগেই যেন অস্থায়ীভাবে হলেও এই কাঁচা স্কুলগুলো মেরামত বা নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়।
দর্শন চাকমা, রাঙ্গামাটি










