ধর্ম ডেস্ক
মুসলিম উম্মাহর দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র মাহে রমজান। এটি কেবল উপবাসের মাস নয়, বরং তাকওয়া অর্জন, আত্মশুদ্ধি এবং সংযমের এক মহান সুযোগ। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে ঘোষণা করেছেন, রোজা ফরজ করা হয়েছে যাতে বান্দারা তাকওয়া অর্জন করতে পারে।
কোরআন নাজিলের মাস
রমজান মাস মুসলিম উম্মাহর জন্য এক বিশাল নেয়ামত। কারণ মানবজাতির পথচলার গাইডলাইন মহাগ্রন্থ আল-কোরআন এই মাসেই নাজিল হয়েছে। এ মাসেই রয়েছে হাজার মাসের চেয়ে উত্তম রজনী ‘লাইলাতুল কদর’। এই মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ রাখা হয়, যাতে মুমিনরা বেশি বেশি নেক আমল করতে পারেন।
কৃত্রিম সংকট ও মুনাফালোভীদের সতর্কবার্তা
রমজান সংযমের মাস হলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে দেশে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী অধিক মুনাফার লোভে নিত্যপণ্যের দাম বাড়িয়ে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে, যা সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ায়। ইসলামে এটি অত্যন্ত গর্হিত কাজ। রমজানের শিক্ষা হলো মানুষের কল্যাণে কাজ করা, অথচ তারা উল্টো মানুষকে কষ্টে ফেলেন।
করণীয় ও বর্জনীয়
রমজানে বেশি বেশি নফল ইবাদত, কোরআন তেলাওয়াত, কিয়ামুল লাইল বা তারাবিহ ও তাহাজ্জুদ আদায়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। হাদিসে বলা হয়েছে, ঈমান ও সওয়াবের আশায় যে ব্যক্তি রমজানের রাতে ইবাদত করবে, তার অতীতের সব গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।
এ মাসে মিথ্যা, সুদ, ঘুষ, গীবত ও অশ্লীলতা থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি গরিব-দুঃখী ও এতিমদের দান-সদকা করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ইফতার পার্টি বা আনুষ্ঠানিকতার নামে খাবারের অপচয় না করার আহ্বান জানানো হয়েছে, কারণ ইসলামে অপচয় নিষিদ্ধ। একইসঙ্গে অধীনস্থ কর্মচারীদের প্রতি সদয় আচরণ ও তাদের কাজের চাপ কমানোর নির্দেশনাও রয়েছে।










