ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ স্ত্রীর নামে রেখে বৈধ করার চেষ্টার অভিযোগে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মীর্জা মো. আবদুস ছালামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তার বিরুদ্ধে ওই মামলা করে। আবদুস ছালাম বর্তমানে রাজশাহী গোদাগাড়ী সার্কেলে কর্মরত।
দুদক জানায়, চাকরি, ব্যবসা বা বৈধভাবে অর্থ উপার্জনের পথ না থাকলেও এএসপি আবদুস ছালামের স্ত্রী গৃহবধূ শাহানা পারভীন ৯ কোটি ৫ লাখ টাকার মালিক হয়েছেন। কীভাবে তিনি এই সম্পদের মালিক হলেন তা অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।
আজ সোমবার দুদকের রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় আবদুস ছালাম ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ওই সম্পদ অর্জনে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদকের জনসংযোগ বিভাগের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, শাহানা পারভীন ২০২৪ সালের ১৮ অক্টোবর দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়েছেন। অনুসন্ধানে তার নামে ৯ কোটি ৫ লাখ ৬৬ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া যায়, যা বৈধ আয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। দুদক শাহানা পারভীনের সম্পদ বিবরণী যাচাইকালে আয়কর নথি পর্যালোচনা করে। তাতে ২০১৪-১৫ করবর্ষ থেকে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত ৭ লাখ টাকার বৈধ আয়ের তথ্য পাওয়া যায়। আর্থিকভাবে তিনি স্বামীর ওপর নির্ভরশীল।
-সাইমুন










