বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন সংরক্ষণ এবং এর ওপর নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘সুন্দরবন সামিট-২০২৬’। সুন্দরবন দিবস উপলক্ষে পরিবেশ ও গবেষণা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে এই বিশেষ সামিটের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আয়োজক সংস্থাগুলো এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সামিটের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: আগামী ২৩ থেকে ২৫ এপ্রিল খুলনা ও সুন্দরবনের বিভিন্ন পয়েন্টে এই সামিট অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজকদের মতে, এই সামিটের মূল লক্ষ্য হলো: সুন্দরবন সুরক্ষায় কার্যকর নীতি সংলাপ এবং উদ্ভাবনী চিন্তা বিনিময়। বনের ওপর নির্ভরশীল লাখো মানুষের জীবন ও জীবিকা সুরক্ষায় পদক্ষেপ গ্রহণ। তরুণ প্রজন্মকে পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করা এবং কমিউনিটি ভিত্তিক উদ্যোগকে শক্তিশালী করা। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা।
আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী: মিশন গ্রিন বাংলাদেশ (এমজিবি), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ, স্বপ্নপুরী কল্যাণ সংস্থা ও ওয়াটারকিপারস বাংলাদেশ যৌথভাবে এই সামিটের আয়োজন করছে। এই সামিটে সরকারের নীতিনির্ধারক, দেশি-বিদেশি গবেষক, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ, তরুণ পরিবেশকর্মী এবং সুন্দরবনের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।
‘নিজেদের বাঁচাতে সুন্দরবন রক্ষা জরুরি’:মিশন গ্রিন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক আহসান রনি বলেন, “সুন্দরবন আমাদের জাতীয় সম্পদ এবং এটি প্রাকৃতিক প্রাচীর হিসেবে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশকে রক্ষা করছে। আমাদের নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে সুন্দরবনকে রক্ষা করার কোনো বিকল্প নেই।”
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশকালে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের রাউফা খানম ও স্বপ্নপুরী কল্যাণ সংস্থার আবদুল্লাহ হাসানসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা সুন্দরবনের টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে গণমাধ্যম ও বৈশ্বিক অংশীজনদের এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।