১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই চার্টার গণভোটকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকায় নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। সাধারণ পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি বিশৃঙ্খলা ও নাশকতার ঝুঁকি মোকাবিলায় মাঠে নামানো হচ্ছে সোয়াট ও কে-নাইন ডগ স্কোয়াডের মতো পুলিশের সব বিশেষায়িত ইউনিট।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এই নিরাপত্তা পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, শুধুমাত্র ঢাকা মহানগরেই নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবেন ডিএমপির ২৬ হাজার ৫১৫ জন সদস্য। ভোটকেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ছাড়াও পুরো শহরকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে দিতে স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম ও রিজার্ভ ফোর্স সার্বক্ষণিক টহলে থাকবে।
যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি বা নাশকতা তাৎক্ষণিকভাবে মোকাবিলা করতে পুলিশ তাদের বিশেষ শক্তি প্রয়োগ করবে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়:
সোয়াট (SWAT): উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত থাকবে বিশেষ এই বাহিনী।
কে-নাইন (K-9): বিস্ফোরক ও সন্দেহভাজন বস্তু শনাক্ত করতে ভোটকেন্দ্র ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি চালাবে ডগ স্কোয়াড।
বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট: নাশকতারোধে বিশেষ এই টিম কাজ করবে।
ক্রাইম সিন ভ্যান: যেকোনো ঘটনার তাৎক্ষণিক আলামত সংগ্রহ ও তদন্তের জন্য প্রস্তুত থাকবে।
রাজধানীবাসীকে অভয় দিয়ে উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বলেন, “এখন পর্যন্ত রাজধানীতে বড় ধরণের কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই। তবুও আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। আপনারা নিশ্চিন্তে, নির্ভয়ে এবং নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন। পুলিশ আপনাদের পাশেই আছে।”
তিনি আরও জানান, রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথ ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা বস্তুর ওপর ড্রোন ও সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমেও নজরদারি চালানো হচ্ছে।
-লামিয়া আক্তার










