আগামীকাল ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের জন্য সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে এ এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলোতে সরঞ্জাম পাঠাতে কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে প্রশাসনকে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ভোটের সরঞ্জামাদি ও নির্বাচন কাজে নিয়োজিতদের পরিবহনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নুসরাত জাহান ইতোমধ্যে ৬০টি ভোটকেন্দ্রের জন্য পরিবহন হিসেবে ৬০টি ভটভটি সংগ্রহ করেছেন। একই সঙ্গে এসব ভটভটিতে ক্রমিক নম্বর, কেন্দ্রের নামসহ পরিবহন-সংক্রান্ত সব কাগজপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে।
তার পরও উপজেলার আটটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় অনেক স্থানে কাঁচা রাস্তা বা রাস্তা নেই এসব এলাকায় ভটভটি জনসাধারণের যাতায়াত ও মালপত্র পরিবহনে সক্ষম।
এ কারণে প্রায় দুই দশক ধরে বিগত সংসদ, উপজেলা, ইউনিয়ন, পৌরসভার নির্বাচনে নির্বাচন-সংশ্লিষ্টরা ভোটের সরঞ্জামাদি, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনসার, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তাসহ অন্যদের চলাচলের জন্য ভটভটি ব্যবহার হয়ে আসছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাড়াশ উপজেলা পরিষদ চত্বর মাঠে নির্বাচনী কাজে ব্যবহারের জন্য ৬০টির মতো ভটভটি সারিবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বুধবার দুপুরের দিকে এসব ভটভটি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোট নির্বাচনের মালপত্র ও নির্বাচন-সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ভোটকেন্দ্রের দিকে রওনা হয়। পাশাপাশি নির্বাচন শেষে তাড়াশ উপজেলা সদরের নির্বাচনী কন্টোল রুমে আবার ফিরে আসবে এগুলো।
অবশ্য তাড়াশের ভটভটিচালক আনোয়ার হোসেন জানান, নির্বাচনে ভটভটি ভাড়া দিলে ভালো টাকা আয় করা যায়। সেই সঙ্গে নির্বাচনের যে একটা আনন্দ তাও দেখা যায়। তাই আমরা প্রশাসন চাইলেই ভালো ভালো ভটভটি সরবরাহ করি।
এ প্রসঙ্গে তাড়াশের ইউএনও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নুসরাত জাহান জানান, সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের তাড়াশ একেবারে প্রান্তিক এলাকা। অনেকে ভোটকেন্দ্রে ট্রাক-বাসের মতো পরিবহনে যেতে পারেন না। যে কারণে ভোটের কাজে ভটভটি শেষ ভরসা।
-সাইমুন










