‘সন্ত্রাসী, ভূমিদস্যু, চর দখলকারীদের দিয়ে এই শান্তির জনপদে অশান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। নির্বাচন বানচালের জন্য এই অপকর্মগুলো করা হচ্ছে। জনগণ ও ভোটারদের অনিরাপদ রেখে এবং তাদের হুমকির মুখে ফেলে কোনো প্রকার সুষ্ঠু নির্বাচন হতে পারে না। সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও আইনের আওতায় আনা না হলে আমাদের পক্ষে নির্বাচন করা সম্ভব নয়।’
মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর (ভিপি নুর)।
নুর আরও বলেন, যদি এসব ঘটনা থামানো না হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না হয় তাহলে আমাদের এজেন্টরা এবং ভোটাররা প্রচণ্ড নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে থাকবেন। আমার মতো প্রার্থীই যদি এ ধরনের অবস্থার মধ্যে থাকেন, তাহলে সারাদেশে কী পরিস্থিতি হচ্ছে? যদি বুধবারের মধ্যে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তাহলে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে তাদের রাজপথে নামতে হতে পারে।
গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, সন্ত্রাসী ঘটনাগুলো যারা ঘটাচ্ছে তারা নির্বাচন বানচাল এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতেই মূলত এসব করছে। ডিসি ও এসপিকে বিষয়টি তিনি জানিয়েছেন। জনগণ নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছে, ভোটাররা আশঙ্কার মধ্যে আছে। যেখানে একটি বাড়ি জ্বালিয়ে ও পুড়িয়ে দেওয়া, অফিস পুড়িয়ে দেওয়া, এক নারীকে ধর্ষণ করে হত্যা করাসহ উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটছে। এ পর্যন্ত প্রশাসন যে ব্যবস্থা নিয়েছে তা সন্তোষজনক নয়। নির্বাচন কমিশনের সচিব এবং পুলিশের আইজি মহোদয়কেও এ ঘটনা জানিয়ে রেখেছি।
নুর বলেন, ১২ তারিখ যে ভোট হবে, তা যেন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে হয়। ভোটাররা যেন তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারেন। আজকে মূলত আমি (এখানে) এসেছি রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পুলিশ সুপারকে ঘটনাগুলো অবহিত করতে এবং বিগত দিনে যে অভিযোগগুলো দেওয়া হয়েছিল সে বিষয়ে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে তা জানতে।
সংবাদ সম্মেলনের আগে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরীর সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও পটুয়াখালী-৩ আসনে প্রার্থী নুর।
-সাইমুন










