ইসরায়েলের হস্তক্ষেপ মোকাবিলা করা হবে : সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট

ছবিঃ সংগৃহীত

সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হাসান শেখ মোহামুদ সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলের সম্ভাব্য সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনার কড়া বিরোধিতা করেছেন। তিনি বলেছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ সোমালিয়ার সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার বিরুদ্ধে এবং তা প্রতিহত করা হবে।

শনিবার(৭ ফেব্রুয়ারি) আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহামুদ বলেন, “সোমালিল্যান্ডে কোনো ইসরায়েলি সামরিক উপস্থিতি আমরা কখনোই মেনে নেব না। এমন কিছু হলে আমরা তার মুখোমুখি হব এবং আত্মরক্ষা করব।” গত ডিসেম্বরে ইসরায়েল সোমালিল্যান্ডকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই বিতর্ক শুরু হয়। এর মাধ্যমে ইসরায়েল প্রথম দেশ হিসেবে সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয়। সোমালিয়া সরকার এ সিদ্ধান্তকে দেশের অখণ্ডতার ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। আফ্রিকা ও আরব বিশ্বের অধিকাংশ দেশও সোমালিয়ার অবস্থানকে সমর্থন করেছে।

প্রেসিডেন্ট মোহামুদ সতর্ক করে বলেন, সোমালিল্যান্ডে ইসরায়েলি ঘাঁটি স্থাপন করা হলে তা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে এবং পুরো হর্ন অব আফ্রিকা ও লোহিত সাগর অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে। ইসরায়েল ও সোমালিল্যান্ড সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের অভিযোগ অস্বীকার করলেও, সোমালিল্যান্ডের এক কর্মকর্তা সম্প্রতি জানান, বিষয়টি এখনো আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে।

অন্যদিকে, সোমালিল্যান্ডের নেতা আব্দিরাহমান মোহামেদ আব্দুল্লাহি (সিরো) ইসরায়েলের স্বীকৃতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে প্রেসিডেন্ট মোহামুদ একে আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী ও দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান এবং সোমালিল্যান্ড ইস্যু একই বৈশ্বিক বাস্তবতার প্রতিফলন, যা আন্তর্জাতিক আইনভিত্তিক ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকাশ করছে।

-বেলাল হোসেন