চীনের সাথে শিক্ষা ও গবেষণার নতুন সেতু বন্ধনে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বড় ধরনের অগ্রগতি হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু এবং একটি ‘কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সিলর লি শাওপেং-এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঢাকার গুলশানে চীনা দূতাবাসে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত ও আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে:

চলতি বছরই কোর্স শুরু: ২০২৬ সালের মধ্যেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চীনা ভাষার সার্টিফিকেট কোর্স ও শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে দূতাবাস।

কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট: বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্থায়ী কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া দ্রুততর করার বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে।

দূতাবাস প্রতিনিধিদের ক্যাম্পাস সফর: উপাচার্যের আমন্ত্রণে আগামী এপ্রিল মাসে চীনা দূতাবাসের একটি প্রতিনিধিদল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সরেজমিন পরিদর্শনে যাবেন।

গত বছরের জুলাই মাসে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহর চীন সফরের মধ্য দিয়ে এই প্রক্রিয়ার সূচনা হয়। সেই সফরে চীনের তিনটি খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছিল। এর ফলে ইবির শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা চীনে উচ্চশিক্ষা, বিশেষ স্কলারশিপ এবং যৌথ গবেষণা কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের ফলে ইবির শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের ভাষা শিক্ষার সুযোগ পাবে, যা তাদের বিশ্ববাজারে কর্মসংস্থানের পথ সুগম করবে। একই সঙ্গে শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়ের মাধ্যমে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও সুপরিচিত হয়ে উঠবে।

লামিয়া আক্তার