চাকরি ছেড়ে নিজ উদ্যোগে পর্যটনভিত্তিক অতিথিশালা গড়ে তুলে সফল হয়েছেন নীলা চাকমা। রাঙামাটির মঘবান ইউনিয়নের দোখাইয়া এলাকায় নিজের ভিটেমাটিতে ৩০ হাজার টাকা ধার নিয়ে তিনটি মাচাং ঘর নির্মাণের মাধ্যমে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে যাত্রা শুরু হয় তার অতিথিশালা ‘গরবা গুদি’। চাকমা ভাষায় ‘গরবা’ মানে অতিথি, ‘গুদি’ মানে কক্ষ।
কাপ্তাই হ্রদের মাঝখানে ছোট্ট দ্বীপের মতো পরিবেশে গড়ে ওঠা এই অতিথিশালায় শুরুতে শুধু দিনভিত্তিক ভ্রমণ ও খাবারের ব্যবস্থা ছিল। পর্যটকদের চাহিদায় পরে রাতযাপনের ব্যবস্থা চালু করা হয়। কৃষি ব্যাংকের ঋণ নিয়ে বর্তমানে সাতটি মাচাং ঘর রাতযাপনের উপযোগী করা হয়েছে।
নীলা চাকমা জানান, আধুনিক রিসোর্ট নয়- গ্রামীণ ও প্রকৃতিনির্ভর অভিজ্ঞতাই গরবা গুদির মূল আকর্ষণ। পাখির ডাক, মাটির চুলার রান্না ও সরল জীবনযাপনই এখানে পর্যটকদের টানে।
বর্তমানে গরবা গুদিতে বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ টাকা। এতে নীলা নিজে ছাড়াও তার মা ও ভাইয়ের কর্মসংস্থান হয়েছে। পর্যটক বাড়লে দৈনিক পাঁচ-ছয়জন স্থানীয় কর্মচারীও কাজ করেন।
মঘবান ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কিরণময় চাকমা বলেন, নীলা চাকমা এলাকার সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে তরুণদের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।
দর্শন চাকমা, রাঙ্গামাটি










