আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দিনাজপুর-৬ আসন (ঘোড়াঘাট-নবাবগঞ্জ-বিরামপুর-হাকিমপুর) এলাকায় ভোটারদের মধ্যে রাজনৈতিক আলোচনা ও কৌতূহল বাড়ছে।
নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা, ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতি নিয়ে যেমন সরব জনপদ, তেমনি নির্বাচন শেষে এসব অঙ্গীকার কতটা বাস্তবায়িত হবে তা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন ও সংশয়। উত্তরাঞ্চলের কৃষিনির্ভর এই আসনে ভোটারদের মূল ভাবনায় রয়েছে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান, কৃষি উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মতো মৌলিক বিষয়গুলো। স্থানীয়দের মতে, দলীয় প্রতিযোগিতার পাশাপাশি এবারের নির্বাচনে জীবনযাত্রার সংকটই বড় ইস্যু হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) তাদের নির্বাচনি ইশতেহারে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কৃষকদের সহায়তা এবং সামাজিক নিরাপত্তা বাড়ানোর
প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দলের সমর্থকদের মতে, বর্তমান সংকট উত্তরণে এসব অঙ্গীকার ভোটারদের মধ্যে আশার সঞ্চার করছে।
অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ন্যায়ভিত্তিক সমাজ, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং ইসলামী মূল্যবোধের আলোকে রাষ্ট্র পরিচালনার কথা বলছে। এতে একাংশ ভোটার ইতিবাচক হলেও অন্য অংশের মধ্যে দ্বিধা রয়েছে।
উল্লেখ্য, এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর ৬ এ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে কেন্দ্রীয় মজলিসের শুরা সদস্য দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আনোয়ারুল ইসলাম, ধানের শীষের প্রতীকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন ভোটের মাঠে লড়ছেন।
এছাড়াও অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন, জাতীয়পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে রেজাউল হক, বাসদ থেকে মই প্রতীকে আব্দুল হাকিম, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীকে আব্দুল্লাহ্ ও ঘোড়া প্রতীকে শাহনেওয়াজ ফিরোজ শুভ শাহ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে নূর আলম ছিদ্দিক। স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহনেওয়াজ ফিরোজ শুভ শাহ ইতিমধ্যে ভোটের মাঠে লড়বেন না বলে ঘোষণা দিয়েছেন।