ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী সরকার জানিয়েছে, ডিসেম্বরের আগে থেকে মোট ৮০৮ রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। কারাকাস থেকে পাওয়া তথ্যে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছেন, ডিসেম্বর থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত এই সংখ্যক বন্দিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
মুক্তির সংখ্যা নিয়ে মানবাধিকার সংস্থা ফোরো পেনাল সন্দেহ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ৩৮৩ জন বন্দির মুক্তি যাচাই করতে পেরেছে, যাদের মধ্যে কয়েকজন বিদেশিও রয়েছেন। ৮ জানুয়ারি সব রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তির ঘোষণা দেওয়ার পর ২৬৬ জন মুক্তি পেয়েছেন। ফোরো পেনালের সহ-সভাপতি গনসালো হিমিওব এএফপিকে বলেছেন, সরকারি ঘোষণা করা সংখ্যার সঙ্গে তাদের ট্র্যাকিংয়ের তথ্য মেলে না।
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি কড়া বার্তা দিয়েছেন। সাবেক নেতা নিকোলাস মাদুরোর আটক হওয়ার পর দেশের ঐক্য রক্ষার প্রয়াসে তিনি জানিয়েছেন, দেশীয় রাজনীতিকে নিজেরাই মীমাংসা করতে হবে। রদ্রিগেজ বলেন, ফ্যাসিবাদ ও চরমপন্থার সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে প্রজাতন্ত্রকে অত্যন্ত উচ্চ মূল্য দিতে হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে অন্তর্বর্তী নেতৃত্বে আসার পর রদ্রিগেজকে ভেনেজুয়েলার ভেতরের মাদুরোপন্থীদের সাথে ভারসাম্য রক্ষা করতে হচ্ছে, একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের চাপও মোকাবিলা করতে হচ্ছে। মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস আটক হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ওপর ধারাবাহিক চাপ বজায় রেখেছে। সাবেক নেতার বিরুদ্ধে বিচার প্রক্রিয়া চলছে। রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, তিনি দেশকে ওয়াশিংটনের শাসনে দিতে চান না, তবে সরাসরি সংঘাতের পথও নিচ্ছেন না।










