লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় উভয় দলের ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার বেলা ৩টার দিকে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাসাইটারী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের ঘটনার সূত্রপাত নিয়ে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা একে-অপরকে দোষারোপ করেছে। আহতরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
আহত জামায়াত কর্মী শাহ আলম বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চাচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে বিএনপির লোকজন এসে নারীদের মুখের হিজাব খুলে ফেলতে বলে। তারা হিজাব খোলেও। আমরা কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হলে বিএনপির আরও নেতাকর্মী এসে আমাদের ওপর হামলা করে। এতে আমিসহ অত্যন্ত আরও ছয়জন আহত হয়েছি।’ তবে টংভাঙ্গা ইউনিয়নের আহত মানিক মিয়া বলেন, ‘জামায়াতের লোকজন প্রথমে আমাদের ওপর হামলা করেছে। আমার পুরো শরীরে মেরেছে।’
টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আশরাফ আলী জানান, উভয় পক্ষের হট্টোগোল দেখে আমি বাধা দিতে গিয়েছিলাম। এ সময় জামায়াতের লোকজন আমাকেও মারধর করে।
লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সংঘর্ষের সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার বলেন, এ ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শাজাহানপুরে দাঁড়িপাল্লার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা ও হুমকির অভিযোগ
বগুড়া-৭ আসনের (শাহাজানপুর ও গাবতলী) শাজাহানপুরে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী ব্যানার ছিঁড়ে আগুনে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি জামায়াত নেতাকর্মীদের হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কাছে অভিযোগ দিয়েছেন বগুড়া-৭ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রধান এজেন্ট ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি অধ্যাপক আব্দুল মতিন। তবে কারা এসব কর্মকাণ্ড করেছে, তা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়নি।
অধ্যাপক আব্দুল মতিন বলেন, ‘এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করছে। অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দাঁড়িপাল্লা মার্কার নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার হাবিবুর রহমান অভিযোগ গ্রহণ করে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।
-সাইমুন










