সুদানে জাতিসংঘের (ইউএন) শান্তিরক্ষা মিশনের ঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলায় শহীদ সবুজ মিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে নিজ বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর আমলাগাছি গ্রামে বাবার পাশে দাফন করা হয়েছে।
নিহত বীর সৈনিক সবুজ মিয়ার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে পিতার কবরের পাশে দাফন করা হয়। তিনি মৃত হাবিদুল রহমান ও সাকিনা বেগমের ছেলে। ২০১০ সালে সবুজ মিয়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে লন্ড্রি কর্মচারী হিসেবে যোগ দেন। গত নভেম্বর মাসে সুদানে জাতিসংঘের (ইউএন) শান্তিরক্ষা মিশনে যান তিনি।
এর আগে দুপুর ২টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে গাইবান্ধার হেলিপ্যাডে মরদেহ নামানো হয়। তারপর সেনাবাহিনীর গাড়িতে করে নিহতের বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ছোট ভগবানপুরে পৌঁছলে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। সেখানে জানাজা শেষে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা সম্পন্ন করা হয়।
রংপুর সেনানিবাসের ক্যাপ্টেন মো. আলভী জানান,বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদ সবুজ মিয়ার জানাজা ও দাফন সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে।
তিনি এক বছর আগে নাটোর জেলায় বিয়ে করেন। এ সময় কান্না জড়িত কণ্ঠে নিহতের স্ত্রী নুপুর আক্তার বলেন, বিয়ের মাত্র এক বছর আট মাসের মাথায় স্বামীকে হারালাম। সব স্বপ্ন এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেল।
নিহত সবুজ মিয়ার লাশ পলাশবাড়ী উপজেলার মহদিপুর ইউনিয়নের আমলাগাছি (ছোট ভগবানপুর) গ্রামে পৌঁছলে শোকার্ত মানুষ এক নজর দেখতে আসেন তাকে।
গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীর হামলায় গাইবান্ধার সবুজ মিয়াসহ বাংলাদেশের ৬ শান্তিরক্ষী নিহত হন। এসময় ৮ জন আহত হয়েছেন। ওই ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ ২১ ডিসেম্বর সকালে ঢাকা সেনানিবাস কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে সবুজ মিয়া মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সানা










