বার্তা প্রেরক –
মাহমুদ কাওসার
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন অভিযোগ করেছেন যে, তার প্রতিদ্বন্দ্বী মুফতি মনির হোসেন কাসেমী এলাকায় অপরিচিত এবং তিনি বহিরাগত সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ওপর ভর করে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। শুক্রবার বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুরে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি কাসেমীকে ‘পরগাছা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
ব্যক্তি বনাম মার্কা লড়াইয়ের ডাক
গিয়াস উদ্দিন বলেন, “এলাকার মানুষ মার্কা চিনে না, ব্যক্তি চিনে। আমার প্রতিপক্ষকে কেউ চিনে না, তিনি জনগণের কোনো উপকারও করেননি। বিএনপি থেকে তাকে পরগাছার মতো মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। এখন জনসমর্থন না থাকায় তিনি অস্ত্রধারী, তেলচোর, মাদক ব্যবসায়ী ও ডিশ ব্যবসায়ীদের নিয়ে মাঠে নেমেছেন এবং সাধারণ ভোটার ও নেতাকর্মীদের ভয় দেখাচ্ছেন।”
স্বর্ণলতার সাথে তুলনা
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে পরগাছা উদ্ভিদের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, “স্বর্ণলতা যেমন মূল গাছকে ধ্বংস করে দেয়, এই প্রার্থীও তেমনি ফতুল্লার শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে এসেছেন। যারা ভালো কাজ করেছেন তারা জয়ী হলে আমার আপত্তি নেই, কিন্তু কোনো ‘পরগাছা’ যেন এই এলাকাকে গ্রাস করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
বিচক্ষণ ভোটার ও দুর্নীতির অভিযোগ
গিয়াস উদ্দিন দাবি করেন, কিছু নেতা ঝুট ব্যবসা ও অবৈধ আয়ের লোভে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। তিনি বলেন, “৫ আগস্টের পর যারা লুটপাটে জড়িত ছিল, তারাই এখন ওই প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছে। এরা ভোটের কন্ট্রাক্ট নিয়ে নেমেছে। কিন্তু ফতুল্লার মানুষ বুদ্ধিমান, তারা নিজেদের বিবেক বিক্রি করবে না।”
উন্নয়ন ও ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার
নির্বাচনী প্রচারণায় গিয়াস উদ্দিন ফতুল্লার দীর্ঘদিনের সমস্যা—রাস্তাঘাট, গ্যাস সংকট, জলাবদ্ধতা ও বিদ্যুৎ বিভ্রাট সমাধানের প্রতিশ্রুতি দেন। এছাড়া তিনি মাদক নির্মূল, সন্ত্রাস দমন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মান উন্নয়নের মাধ্যমে এলাকায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন।
প্রচারণাকালে তার সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
-সাইমুন










