রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, গ্রিনল্যান্ডের মালিকানা কার হাতে থাকবে, তা রাশিয়ার জন্য কোনো চিন্তার বিষয় নয়। তার মতে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক নিজেদের মধ্যে সমাধান করবে।
পুতিন ডেনমার্কের দ্বীপটির প্রতি ঐতিহাসিক আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, ডেনমার্ক সবসময় গ্রিনল্যান্ডকে কলোনি বা উপনিবেশ হিসেবে দেখেছে এবং সেখানে কঠোর আচরণ করেছে। তবে পুতিন বলেন, এটি এখন আর গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড দখলের পরিকল্পনা ইউরোপের সঙ্গে ওয়াশিংটনের দূরত্ব বাড়িয়েছে। মস্কো বিষয়টি আনন্দের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। তবে আর্কটিক অঞ্চলে রাশিয়ার শক্তিশালী উপস্থিতি থাকায় এই পদক্ষেপের প্রভাব রাশিয়ার ওপর পড়তে পারে।
ট্রাম্প আগে গ্রিনল্যান্ড দখলে সামরিক শক্তি ব্যবহার হুমকি দিয়েছিলেন, কিন্তু সম্প্রতি তিনি সেই অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, দ্বীপ দখলে কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না এবং ইউরোপের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন হতে পারে।
পুতিন প্রথমবার জনসমক্ষে মন্তব্য করে জানিয়েছেন, রাশিয়ার গ্রিনল্যান্ড দখলে কোনো আপত্তি নেই। তিনি বলেন, দ্বীপের দাম প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার হতে পারে। পুতিন আলাস্কার ১৮৬৭ সালের যুক্তরাষ্ট্রকে বিক্রির উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, বর্তমান মুদ্রাস্ফীতি ও সোনার মূল্য বিবেচনায় গ্রিনল্যান্ড কেনার সম্ভাব্য খরচ এপর্যন্ত প্রায় ১০০ কোটি ডলার হবে।
রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্পের মন্তব্যে কিছুটা বিরক্ত হলেও ব্যক্তিগত সমালোচনা থেকে বিরত আছে। পুতিন মন্তব্য করেছেন, ওয়াশিংটন ও কপেনহেগেন নিজেদের মধ্যে বিষয়টি সমাধান করবে।










