নিজেদের মধ্যে সহযোগিতার আশ্বাস বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীদের

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) নির্বাচনি মাঠে লড়বেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন।  প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরে পারস্পরিক সহযোগিতায় নিজেদের আসনের উন্নয়নমূলক কাজের ব্যাপারে আশ্বাস দেন তারা।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) প্রচারণায় এসব কথা বলেন প্রার্থীরা।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, আমার বাবা-ভাই জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে আপনাদের খেদমত করেছিলেন। আমিও ৮০ বছর বয়সে আপনাদের সন্তান হিসেবে এ আসনের উন্নয়নসহ অপকর্ম রোধের জন্য চেষ্টা করব।

দ্বৈত নাগরিকের কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব আমি ত্যাগ করেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি।

তিনি বলেন, সারা জীবন পরীক্ষা দিলাম। সততার পথে থাকায় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ  হয়েছি। আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আমাকে সত্য প্রমাণ করতে সাহায্য করেছেন।

মিন্টু বলেন, দেশ ও জাতির স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফিরে এসে সততার সঙ্গে ব্যবসা করে আসছি। মানুষের সেবায় নিয়োজিত ছিলাম। আমি এ দেশের নাগরিক না হয়ে কোথায় যাব? এ মাটির ওপর আমার অধিকার থাকবে না কেন? আমি সর্বদা আমার দেশের মানুষের ওপর বিশ্বাস এবং আল্লাহর ওপর আস্থা রেখেছি। সেই কারণেই আজ এই নির্বাচনি লড়াইয়ে এ বৈধতা প্রমাণিত হয়েছে।

জামায়াত প্রার্থী ডা. ফখরুদ্দিন বলেন, নির্বাচিত হলে জুলাই অভ্যুত্থান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইনসাফপূর্ণ শাসন কায়েমে প্রতিষ্ঠা করব।

মিন্টুর বিরুদ্ধে আপিল করার বিষয়ে বলেন, আইনি পদক্ষেপ নির্বাচনি লড়াইয়ের অংশ। এতে মিন্টু ভাইয়ের সঙ্গে ব্যক্তিগত, রাজনৈতিক এবং সামাজিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। আপিল এটা একেবারে সাধারণ এবং আইনি প্রক্রিয়া।

তিনি বলেন, নির্বাচনকে অবাধ,সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ করার জন্য সবাইকে আইন মেনে চলা উচিত। আইনের সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখব। এটাই জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা। মিন্টু ভাইয়ের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক রয়েছে। এমনকি আমি উনার স্নেহের ছোটভাই হিসেবে উনাকে সম্মান করি। মনোনয়নপত্র দাখিলের দিনও উনার সঙ্গে কোলাকুলি হ

-সাইমুন